প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

মসজিদের মা’ইকে ঘো’ষণা দিয়ে অস্ত্রে স’জ্জিত গ্রামবাসী, ৫ মাস ধরে দ’ফায় দ’ফায় সংঘর্ষ

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

নেত্রকোণার ম’দ’নের পল্লীতে দুই পক্ষ মসজিদের মাইকে ঘো’ষ’ণা দিয়ে ৫ মাস ধরে দফাঃয় দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে।আজ শনিবার (৫ জুন) স’কা’লে ৬টি গ্রা’মে’র মস’জি’দে’র মাইকে সংঘর্ষের ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্র

নিয়ে এ’ক’ত্রিত হয় হাজারো লোক।বৃষ্টি থা’কা’য় অস্ত্রে স’জ্জি’ত লোকজন বিভিন্ন স্থানে অবস্থান ক’রছেন।এতে এলা’কায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সং’ঘ’র্ষে প্রা’ণহা’ণির ঘটনা ঘটতে পারে।জানা

যায়,না’য়ে’কপুর ইউনিয়নের বাউসা গ্রামের মানিক মিয়া জনতা বা’জা’রের ২ শতাংশ ভূমি একই ই’উ’নি’য়নের মাখনা গ্রা’মে’র ফৌ’জ’দা’র মিয়ার কাছে বিক্রি করে দেন।ফৌ’জদার মিয়ার ক্রয়কৃত ভূমিতে দোকানঘর নির্মাণ

করায় মানিক মিয়ার টি’ন’শেড,ফৌজদার মিয়া ও শান্তু মি’য়া’র নবনির্মিত আ’ধাঃপাকা দোকানঘর ভেঙে ফেলে বা’জা’র কমিটি ও এলাকাবাসী।এ ঘটনায় মাখনা গ্রামের ‘ফৌজদার মিয়ার ছেলে সোহেল খান বাদী হয়ে ২০ লাখ

টাকার ক্ষ’তি’পূ’রণ দাবি করে বাজার কমিটির সভাপতি আজিজুল হকসহ আটজনের নাম উল্লেখ করেঅজ্ঞাতনামা ৫০/৬০ জ’ন’কে আ’সা’মি করে এ’কটি মামলা দায়ের ক’রেঃন।এরই জেরে নোয়াগাও,বা’উ’সা,তা’লু’কঃকানাই

আলমশ্রী ও সো’না’খা’লী- এই ৫ গ্রা’ম এক দল হয়ে মাখনা গ্রা’মে’র সাথে এ বছরের ১৭ ফে’ব্রুয়ারি সিংহের বা’জারের পাশে গৌ’রার হা’ও’রে সং’ঘর্ষে লিপ্ত হয়।এ সময় ক’য়ে’ক ঘণ্টা সংঘর্ষে পু’লি’শ’স’হ অর্ধশতাধিক

লোকজন আহত হন।পরি’স্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই দিন পু’লি’শ ১১ রাউন্ড ফা’কা গুলি ছোড়ে।এভা’বে ৫ মাস ধরে বি’ভি’ন্ন সময় দফায় দফায় সংঘর্ষে অতিষ্ঠ স্থানীয় প্রশাসন।নাম প্রকা’শে অনিচ্ছুক এলকার একাধিক ব্যাক্তি

জানান,সংঘর্ষের পর থেকে নোয়াগাও,বাউসা,তালুককানাই আলমশ্রী,সোনাখালী (৫ গ্রামের) লো’ক’জ’নদের সাথে মাখনা গ্রামের লো’ক’জ’নে’র কোনো যোগা’যোগ নেই। আত্মীয়-স্বজনদের বা’ড়িতে যাতায়াত বন্ধ রয়েছে।৫ মাস

ধরে জনতা বা’জা’রে মাখনা গ্রা’মেঃর কোনো লোকজন যাতায়াত না করায় মাখনা গ্রামের কয়েকটি দোকান এখন পর্যন্ত বন্ধ।কোনো অ’নুষ্টান বা কেই মারা গেলে যাতায়াত ক’র’লেই গুনতে হবে জরিমানা এমনটাই সিদ্ধান্ত স্থানীয়

মাতুব্বরদের।জরিমানার ভয়ে অনেকেই আত্মীয়তার সর্ম্পক নষ্ট ক’র’ছে’ন।না’য়ে’কপুর ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান রো’মা’ন বলেন,দীর্ঘদিন ধরে স্থা’নীয় প্রশাসন ও মাতুব্বরদের নিয়ে বি’ষয়’টি মীমাংসা করার চেষ্টা করছি।

কিন্তু এতে কো’নো কা’জ হচ্ছে না।শনিবার আ’বারও ৬ গ্রামের হাজারো লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নিজ নিজ অব’স্থা’নে রয়েছে।যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে প্রা’ণহাণির আশঙ্কা রয়েছে।মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

(ওসি) ফেরদৌস আলম জানান,দীর্ঘদিন ধরে নায়েকপুর ইউনিয়নে ৬ গ্রা’মে’র লো’ক’জ’নের উত্তেজনা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি দ’ফা’য় দফায় দুপক্ষের লোকজনের সাথে কথা ব’ল’তে’ছি।আধিপত্য বি’স্তা’রের জন্য উভয়

পক্ষের লোকজন সংঘর্ষের ঘোষণা দেয়। আজ শনিবার উত্তেজনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশ রয়েছে।