প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

ভোলার পর বাগেরহাটে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াসে’র প্রভাব

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াসে’র প্রভাবে বাগেরহাটের নদ-নদী ও খালের পানি বেড়েছে। মঙ্গলবার (২৫ মে) সকাল ৮টা থেকে শরণখোলার বলেশ্বর, মোরেলগঞ্জের পানগুছি, মোংলার পশুর, বাগেরহাটের ভৈরব, দড়াটানাসহ সব নদীর পানি স্বাভাবিক জোয়ারের থেকে এক দেড়-ফুট বেড়েছে।

পানগুছি নদীর তীরের বাসিন্দা মো. আখতার হোসেন বলেন, ‘সকাল থেকে নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। পানি আরও বাড়তে পারে। আমরা ধারণা করছি, দুপুর নাগাদ আরও দুই-তিন ফুট পানি বাড়বে।’শরণখোলা উপজেলার বলেশ্বর নদীর তীরের বাসিন্দা স্থানীয় ইউপি সদস্য হালিম শাহ বলেন, ‘সকাল থেকে জোয়ারের পানি বাড়ছে। গতকালের থেকে অন্তত ২ ফুট পানি বেড়েছে। পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের আতঙ্কও বাড়ছে।’

বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিশ্বজিৎ বৈদ্য বলেন, ‘সর্বশেষ পূর্ণ জোয়ারে বাগেরহাটের বিভিন্ন নদীতে সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে পানির উচ্চতা ছিল দুই দশমিক ১০ মিটার। এখনও পূর্ণ জোয়ার হয়নি। এখন এক দশমিক ৩৮ মিটার পানি রযেছে। দুপুর ১২টা নাগাদ পূর্ণ জোয়ারে এই পানির লেভেল আরও বাড়তে পারে। তবে কী পরিমাণ পানি বাড়বে, এটা বিপৎসীমা অতিক্রম করবে কিনা এই মুহুর্তে বলা যাচ্ছে না।’

এদিকে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে ভোলার নদ-নদীগুলো। মাঝে মধ্যে ঝড়ো বাতাস ও গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তীরে ফিরতে শুরু করেছে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার। এদিকে ইয়াসের প্রভাবে প্লাবিত হয়েছে ভোলার ঢালচর ইউনিয়ন।উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় ’ইয়াস’ থেকে উপকূলের বাসিন্দাদের সতর্ক করতে মাইকিং করছে সিপিপির স্বেচ্ছাসেবীরা। বিভিন্ন উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলে এ প্রচারণা চালায় তারা।