প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

ভালোবাসায় ভাসছেন অভিনয়ের জাদুকর চঞ্চল চৌধুরী

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

অ’ভিনয়ের মঞ্চে তিনি জাদুকর। একেকটি চরিত্রকে তিনি এমনভাবে বিকশিত করেন যা ছুঁয়ে যায় দর্শকের মন। সেইসব চরিত্ররা কখনো ‘মনপুড়া’য় কাঁদিয়েছে, কখনো ‘আয়নাবাজি’-তে ভেলকি দেখিয়েছে, কখনো বা ‘হাড় কিপটে’র মতো নাট’কে হাসিয়েছে।

তিনি দিনে দিনে হয়ে উঠেছেন অনবদ্য একজন। যার কাজগুলো বরাবরই দর্শকের সেরা আগ্রহে থাকে। তিনি চঞ্চল চৌধুরী।আজ এ অ’ভিনেতার জন্ম’দিন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভেসে যাচ্ছেন তিনি ভক্ত-অনুরাগীদের ভালোবাসা আর শুভেচ্ছায়।

পাবনা জে’লার সুজানগর উপজে’লার নজিরগঞ্জ ইউনিয়নের কামা’রহাট গ্রামে ১৯৭৪ সালের ১ জুন জন্মগ্রহণ করেন চঞ্চল চৌধুরী। গ্রামের স্কুল থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক এবং রাজবাড়ী সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াশোনা করেন। উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় ভর্তি হন।

ছোটবেলা থেকেই তার গানবাজনা, আবৃত্তি আর নাট’কের প্রতি নে’শা ছিল। পরে তার মঞ্চনাট’কের প্রতি একটা আগ্রহ সৃষ্টি হয়।মামুনুর রশীদের আরণ্যক নাট্যদলে কাজ করার মধ্যদিয়েই অ’ভিনয় জীবনের শুরু হয়। মামুনুর রশীদের লেখা ‘সুন্দরী’নাট’কে ছোট একটি চরিত্রে তিনি প্রথম অ’ভিনয় করেন। তিনি বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজানো, অ’ভিনয়, গান, ছবি আঁকা এসব কিছুতেই সমান পারর্দশী।

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী’ ‘তাল পাতার সেপাই’ নাট’ক দিয়ে দর্শকের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন এ মঞ্চ অ’ভিনেতা। তারপর থেকেই তিনি মঞ্চের পাশাপাশি বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছেন টিভি নাট’কে।

তিনি ২০০৯ সালে গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘মনপুরা’ ছবিতে এবং মোস্তফা সরয়ার ফারুকী’ পরিচালিত টেলিভিশন ছবিতে অ’ভিনয় করে প্রশংসিত হন। ‘আয়নাবাজি’ ও সর্বশেষ ‘দেবী’ সিনেমাতে দর্শকের মন জয় করেছেন চঞ্চল।অ’ভিনয়ের পাশাপাশি তিনি একজন গায়কও। তার কণ্ঠে ‘বকুল ফুল বকুল ফুল’, ‘যুবতী রাধে’সহ আরও বেশ কিছু লোকসংগীত তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে।