ভারত সফরে মাঠের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বলা যায় আম্পায়ারদেরও মোকাবেলা করতে হচ্ছে নিউজিল্যান্ড দলকে।ভারতীয় আম্পায়ারদের পারফরম্যান্সে হতাশ নিউজিল্যান্ডের তারকা ওপেনার টম ল্যাথাম।
কানপুরে চলমান টেস্টে একবার দুইবার নয়, তিনবার নিউজিল্যান্ডের ওপেনার টম ল্যাথামকে আউটের সিদ্ধান্ত দেন ভারতীয় আম্পায়ার নিতিন মেনন ও বীরেন্দর শর্মা। তিনবারই রিভিউ নিয়ে লাইফ পান ল্যাথাম।
টেস্টের প্রথম দিনে দাপট দেখিয়েছে ভারত। ৪ উইকেটে ২৫৮ রান নিয়ে দিন শুরু করা শুক্রবার দ্বিতীয় দিনে টিম সাউদির অসাধারণ এক স্পেলে মুখ থুবড়ে পড়ে ৩৪৫ রানে অলআউট হয় ভারত। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্বিতীয় দিনে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১২৯ রান সংগ্রহ করে দিন শেষ করে নিউজিল্যান্ড। ৭৫ ও ৫০ রানে অপরাজিত উইল ইয়াং ও ৫০ টম ল্যাথাম।
অবশ্য শূন্যরানেই আউট হওয়ার কথা ছিল ল্যাথামের। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ইশান্ত শর্মার বলে ল্যাথামকে আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার নিতিন মেনন। রিভিউ নেন নিউজিল্যান্ডের ওপেনার। রিভিউতে দেখা গেছে, বল ব্যাটে লেগেছিল।
এরপর ইনিংসের ১৫তম ওভারে আবার ল্যাথামকে আউট দেন আম্পায়ার মেনন। এবার রবীন্দ্র জাদেজার বলে এলবিডব্লুর সিদ্ধান্ত। আবারো ডিআরএসের সাহায্য প্রার্থনা। এবারো বল প্যাডে লাগার আগে ব্যাটের স্পর্শ নিয়েছিল! ল্যাথাম নতুন জীবন পান ১০ রানে।
দ্বিতীয় দিনের খেলার শেষ ওভারের আগের ওভারে অশ্বিনের বলে আবারো ল্যাথামকে আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার। এবার অবশ্য অপরাধী অন্যজন, বীরেন্দর শর্মা। তবে এবার অবশ্য ব্যাটে আর বল লাগেনি, আর সেটাই ল্যাথামকে বাঁচিয়ে দিয়েছে। ততক্ষণে অবশ্য ৫০ হয়ে গেছে ল্যাথামের। নিউজিল্যান্ডের রানও ততক্ষণে ১২৮।
এ নিয়ে নিউজিল্যান্ড অলরাউন্ডার জিমি নিশাম টুইটারে লেখেন- টম ল্যাথাম যদি সেঞ্চুরি পায়, ভারত হয়তো ঘরের মাঠে ডিআরএস ব্যবহার না করার দিনগুলোতে ফিরে যাবে।













































