প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

বেয়াইর হাত ধরে উধাও বেয়াইন

10
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

ফটিকছড়ি উপজে’লার ভুজপুর থা’নাধীন নারায়ণহাট ইউনিয়নে প্রে’মের টানে ইব্রাহীম নামে ৪৪ বছর বয়সী এক ব্যক্তির সাথে পালিয়ে গেছে মনোয়ারা বেগম নামে ৪৩ বছর বয়সী এক নারী। তারা স’ম্পর্কে বেয়াই-বেয়াইন। গত ২৩ এপ্রিল নারায়ণহাট ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ঘড়াভাঙা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, দেড় বছর পূর্বে ওই ইউনিয়নের পশ্চিম চানপুর ঘরাভাঙা এলাকার মন্তু মিয়ার ছে’লে মানিকের সাথে একই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের কাট্টস্যে এলাকার ইব্রাহীম প্রকাশ কালু ড্রাইভা’রের মে’য়ে সাথী আক্তারের বিয়ে হয়।

বিয়ের পর থেকে উভ’য় পরিবারে স্বাভাবিক স’ম্পর্ক বিদ্যমান। এরই মাঝে বেয়াই ইব্রাহীমও মে’য়ের শ্বশুর বাড়িতে মাঝেমধ্যে আসা-যাওয়া করতেন। এক সময় দুই কন্যা সন্তানের জনক ইব্রাহীমের সাথে মে’য়ের শাশুড়ি মানোয়ারা বেগমের মধ্যে প্রে’মের স’ম্পর্ক গড়ে উঠে। এক পর্যায়ে দু’জনের এ স’ম্পর্ক গভীর প্রে’মে রূপ নেয়।

বিষয়টি উভ’য় পরিবারে জানাজানি হলে এ পথ পরিহার করার জন্য দু’জনকে নানাভাবে বুঝানোর হয়। কিন্তু প্রে’ম তো মানে না কোনো বাঁ’ধা। সকল বাঁ’ধা উপেক্ষা দীর্ঘ এক বছর ধরে চলতে থাকে ইব্রাহীম-মনোয়ারার অসম প্রে’ম।

সর্বশেষ ২২ এপ্রিল রাতে মে’য়ের শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে যান ইব্রাহীম। পরদিন সকাল ৭টার দিকে মে’য়ের শ্বশুর বাড়ি থেকে চলে আসেন তিনি। এর ঘন্টা খানেক পর ঠুনকো অজুহাতে পরিবারে একটি ঝগড়া সৃষ্টি করে স্বামীর সংসার করবে না বলে ঘর থেকে বেরিয়ে যান মনোয়ারা।

এরপর থেকে এখনো ঘরে ফিরে যায়নি তিন সন্তানের জননী মনোয়ারা বেগম। পরবর্তীতে তাকে দীর্ঘক্ষণ খুঁজাখুঁজির পর সন্ধান না পেয়ে বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদকে জানানো হয়।

এ বিষয়ে মন্তু মিয়া বলেন- আমা’র স্ত্রী’ মনোয়ারার সাথে ছে’লের শ্বশুর ইব্রাহীমের দীর্ঘদিন ধরে প্রে’মের স’ম্পর্ক চলে আসছিল। এরমধ্যে ২৩ এপ্রিল সকালে নিজে ঝগড়া সৃষ্টি করে ঘর থেকে বেরিয়ে যায় সে। পরবর্তীতে আম’রা নিশ্চিত হয়েছি সে পালিয়ে গিয়ে বেয়াই ইব্রাহীমকে বিয়ে করেছে।

এ ঘটনায় মন্তু মিয়া বাদী হয়ে ৩ মে স্ত্রী’ মনোয়ারা বেগম ও বেয়াই ইব্রাহীমের বি’রুদ্ধে চট্টগ্রাম চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালতে মা’মলা দায়ের করেছেন।

এ বিষয়ে অ’ভিযু’ক্ত ইব্রাহীমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, মনোয়ারা পারিবারিক ভাবে বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিলো। সে প্রায় সময় এ গুলো আমাকে বুঝাতো। ২২ এপ্রিল রাতেও তারা স্বামী-স্ত্রী’র মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল। পরদিন সকালে সে আমা’র দোকানে এসে মন্তু মিয়ার সাথে আর সংসার করবে না জানিয়ে আশ্রয় দিতে বলে।

আমি আশ্রয় না দিলে প্রয়োজনে আত্মহ’ত্যা করবে বলেও হু’মকি দেয় বেয়ান মনোয়ারা। পালিয়ে বিয়ে করার বিষয়ে জানতে চাইলে ইব্রাহীম বলেন- আমি তাকে ভাগিয়ে আনিনি, সে নিজে আম’রা কাছে চলে এসেছে।