প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

বি’য়ের এক সপ্তাহ বাকি ছিল শ’হিদ হওয়া ফি’লিস্তিনি তরুণী শায়মার

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

ফি’লি”স্তি’নে”র এই ত’রুণী’র পুরো নাম শায়মা আবু আ’লাউফ।মাত্র ২১ বছর বয়স।ফি’লিস্তিনের গাজার এক ডে’ন্টা’ল ক’লে’জে তৃ’তী’য় বর্ষে পড়ত সে।পাস করে বের হতো ব’ছ’রখা’নেকের মধ্যেই।নিশ্চ”য়ই পাস করার

পর কী করবে,একটা সা’স্টে’ই”নেবল আর সাক্সেসফুল ক্যারিয়ার কীভাবে গড়বে ইত্যাদি নানা চিন্তা মাঝে মাঝেই তার মাথা’য় আলতো টোকা দিত,যে ক্যারিয়ার প্ল্যানিংয়ে স’বা’র উপরে থাকত মানবসেবা না’ম’ক শ’ব্দটি।মনের

মা’নু’ষে’র সাথে এ’ঙ্গেজমেন্ট হয়ে আছে দুবছর আগে থে’কে’ই।বিয়ের ক’থাবার্তাও পাকা হয়ে ছিল,আর সেটা আ’গা’মী সপ্তাহেই।সেই উ’পলক্ষে গত দুমাস ধরে একটু একটু করে ঘর সা’জি’য়ে গেছে তার হবু জী’ব’ন’সঙ্গী

আ’না’স।সেই সাথে বিয়ে উ’প’ল’ক্ষে কে’না’কাটা তো চলছিলই।দুপরি’বা’রের মাঝেও চলছিল বিয়ে নিয়ে নানা পরিকল্পনা,আ’ত্মী’য়’স্ব’জ’নের মাঝে ছিল আ’নন্দ।সব আ’ন’ন্দ,জল্পনা-কল্পনা,সুখের সং’সা’রে’র পরিকল্পনায়

দাঁড়ি টেনে দিলো ই’সরা’ইলি বি’মা’নবা’হিনীর নিক্ষিপ্ত রকেট।গত শনিবার (১৫ মে) গাজার আল ওয়াহ্‌দা স্ট্রিটে চা’লা”নো হামলায় বিধ্বস্ত হয় শায়মাদের ভবন।সে সময় আ’না’সে’র সাথেই ফো’নে কথা বল’ছিল সে।হুট করে

লা’ই”ন কেটে যায়,এরপর শত চেষ্টাতেও আর শায়মাকে ফোনের লাইনে পায়নি আনাস।১৪ ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপের নিচে সপ’রিবারে আটকা ছিল শায়মা।এরপর যখন উদ্ধার করা হলো,ত’তক্ষণে কেউই বেঁচে নেই,চিরস্থায়ী গন্তব্যের পথে

পাড়ি জ’মি’য়ে’ছে মেয়েটির প’রি’বারের প্রতিটি সদস্য।
শা’য়মার কাহিনি পড়তে এবং লিখতে গিয়ে বারবার মনে পড়’ছিল’ আ’মার নি’জে’র বিয়ের সম’য়গুলোর কথা। সে’স’ম’য় বাসা কী’ভাবে’ সাজানো হতে পারে,কী কী

ফা’র্নি”চার থাকবে,বিয়ের বিভিন্ন আয়োজনে কোন সময় কোন পো’শাক প’রবে-এ নিয়ে আ’মার স্ত্রীর উৎসাহের অন্ত ছিল না।দি’নে’র বিভিন্ন সময়ই আমার কাছে ফোন আ’সত,আচ্ছা অন্তিক।আমি সব শুনে হেসে খুব বিজ্ঞের

ভাব নিয়ে জ’বা’ব দিতাম,প’রিকল্পনা সাজাতাম বিয়ের পরের এ’ক’টা সুখী-সুন্দর সংসা’র’জী’বনে’র।শায়মাও নিশ্চয়ই ম’নে’র মানুষ আ’নাসে’র সাথে তেমনই একটা সং’সারের স্বপ্ন দেখেছিল।আফসোস,কেব’লই আফসোস… আর দী”র্ঘ”শ্বা’স।