বিবাহ একটি সামাজিক বন্ধন বা বৈধ চুক্তি যার মাধ্যমে এই দুটি মানুষের মধ্যে দাম্পত্য স’ম্পর্ক স্থাপিত হয়। বিবাহিত জীবনে দম্পতিদের সুখ থাকা প্রয়োজন। তাহলেই তাদের জীবন ভাল ভাবে চলবে। প্রতিটি দম্পতি এটি চান যে তাদের দাম্পত্য জীবন যেন সুখের হয়। অনেক বিবাহিত দম্পতি তাদের স’ম্পর্ক নিয়ে সংশয়ে থাকেন।
স’ম্পর্কে নিরাপত্তাহীনতা, মতবিরোধ এবং আত্ম-স’ন্দেহ এ জাতীয় সমস্যার জন্ম দেয়। প্রতিটি বিবাহে অনুভূতি বিকাশের উচ্চ সম্ভাবনা থাকে যা স’ম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর। এই সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাভাবনা থেকে বেরিয়ে আসা উচিত। স’ম্পর্কের কিছু ইতিবাচক লক্ষণ রয়েছে, যার সাহায্যে আপনি আপনার বিবাহিত জীবনকে সুখী করে তুলতে পারবেন।
স্বামী-স্ত্রী’র স’ম্পর্ক ভরসা থাকা’টা প্রয়োজন। কখনও কখনও স’ম্পর্কটি ভেঙে পড়তে শুরু করার পরেও, আপনি যদি আপনার সঙ্গীকে বিশ্বা’স করেন এবং তার স’ম্পর্কে আত্মবিশ্বা’সী হন, তবে সমস্যাগু’লি দূরে সরে গিয়ে স’ম্পর্কটি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবে।বিবাহিত দম্পতিরা একে অ’পরেকে বিশ্বা’স,ভালোবাসার মাধ্যমে দুজনের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলে, যে কোনও পরিস্থিতেই তাদের স’ম্পর্ক অটুট থাকবে।পার্টনারের যদি কিছু প্রয়োজন হয় বা কিছু ইচ্ছা হয় তবে সেই চাহিদা পূরণ করা এবং প্রয়োজনে পাশে থাকাই উপযু’ক্ত পার্টনারের কর্তব্য।যে কোনও স’ম্পর্কেই জমে থাকা ভাল তবে অ’তিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ স’ম্পর্কে প্রভাব আনতে পারে, তাই স’ম্পর্কে বিশ্বা’স থাকা’টা অনেক বেশি প্রয়োজন।
ভুল মানুষ মাত্রই হয়ে থাকে তাই মা’থা ঠান্ডা করে অ’পরপক্ষকে ভুলটা ধরিয়ে দেন বা নিজে ভুল করলে ক্ষমা চেয়ে নিন। ক্ষমা করার পর ওই বিষয়ে আর কখনো কোনো কথা বলবেন না।বিয়ে করেছেন মানে ঘরের সাহায্যের জন্য লোক এনেছেন তা কিন্তু নয়, তাই নিজেও সংসারের দায়িত্ব নিন। একজন রান্না করলে অন্যজন অন্যভাবে সাহায্য করুন। মাঝে মধ্যে প্রে’ম বানিয়ে রাখার জন্য সারপ্রাইজ দিন।
সংসারের নানা কারণে ঝামেলা আসে রাগ হয় কিন্তু বিছানায় যাওয়ার আগে রাগ নিয়ে যাবেন না এতে দাম্পত্য কখনো সুখের হবেনা। নিজের রাগ থিতু করে তবেই যান। বিবাহিত জীবনে মতানৈক্য হতেই পারে, দুটো আলাদা মানুষের চিন্তা ভাবনা আলাদা হওয়া স্বাভাবিক তাই সব সময় ঝগড়া না করে একে অ’পরের কথা শুনুন, অ’পরদিকে মানুষটিকে বুঝতে শিখু’ন, নিজের বক্তব্য বুঝিয়ে বলুন।বিয়ের পরে একে অ’পরের সঙ্গে সময় কা’টাতে ভ্রমণে বা ডেটে যেতে পারেন। যদি স’ম্পর্ক পুরনো হয়, নতুন করে প্রতিটা দিন সাজিয়ে নিতে পারলেই পুরনো স’ম্পর্কও থাকবে নতুনের মত।
যে কোন স’ম্পর্ক তখনই সুখের হয় যখন আপনি নিজে সুস্থ ও ভাল থাকবেন, আপনার সঙ্গীর উপর নির্ভর করে সুখী হওয়া কোনও উপায় নয়। একে অ’পরের সঙ্গে কথা বলার আগে ভেবে কথা বলুন, আপনার পার্টনারের খা’রাপ লাগতে পারে এমন কোনও কথা বলার আগে ভেবে তবেই বলবেন।একটি বিবাহ মানেই ২টি পরিবারের মিলন, আর ২ পরিবারের সঙ্গে দম্পতি সামাজিক মূল্যবোধগু’লি বিকাশ করলে তাদের সমাজে নিজেদের পরিচিত বাড়বে। বিয়ে হয়ে গেলেও অনেকেই মনে করেন, ভালবাসার কথা আলাদা করে জানাবার দরকার নেই, তবে বিয়ের পরেও ভালবাসার কথা পার্টনারকে জানানো স’ম্পর্কের পক্ষে ভাল।
বিবাহের স’ম্পর্ক কোনও কোনও ক্ষেত্রে প্রে’মের চেয়েও বড়, এতে ছে’লে-মে’য়ের সঙ্গে ২টি পরিবারেরও মিলন হয়, একে অ’পরের সিদ্ধান্ত, বিরোধিতা এবং মনোভাবকে সম্মান করা দুজনের কর্তব্য। বিয়ের পরে ভালবাসার জন্য একে অ’পরকে প্রমাণ দেওয়ার কিছু নেই বরং একে অ’পরকে সম্মান করা উচিত। কারণ সম্মান বিয়ের মতো পবিত্র জিনিস। আপনি যদি আপনার সঙ্গীর সিদ্ধান্তগুলোকে সম্মান করেন তবে স’ম্পর্কের মধ্যে প্রে’ম আরও বাড়বে। এর ফলে আপনার সঙ্গীর আপনার সিদ্ধান্তগুলোরও সম্মান করবে। ফলে উভয়ের মধ্যে বোঝাপড়া বেড়ে উঠবে। তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেবেন না।













































