প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

বাজারে আসছে প্রথম দেশীয় ব্র্যান্ডের গাড়ি

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

ঈদের পর আধুনিক সব সুবিধা নিয়ে বাজারে আসছে দেশীয় ব্র্যান্ডের প্রথম গাড়ি ‘বাংলা কার’। মাত্র ৩০ লাখ টাকায় সাত আসনের এই গাড়ি কেনা যাবে। গাড়িটি বাজারজাত করছে হোসেন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘বাংলা কারস লিমিটেড’। যেখানে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ লেখা থাকবে।সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরই দেশীয় ব্র্যান্ড ‘বাংলা গাড়ি’ রফতানিতে যাবে। প্রাথমিকভাবে ৩০টি গাড়ি ট্রায়ালে আছে, এর মধ্যে ১০টি বিক্রি হয়ে গেছে।

হোসেন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জাকির হোসেন জানান, কোটি টাকা দামের মার্সিডিজ-বিএমডব্লিউ গাড়িতে একজন গ্রাহক যে সুবিধা পান, তা মাত্র ৩০ লাখ টাকার বাংলা গাড়িতে পাওয়া যাবে।

এটির বিশেষ বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম হলো- গাড়িটি পোশাক খাতের মতো মেইড ইন বাংলাদেশ নাম বহন করবে। দেশকে গাড়ি উৎপাদনে নেতৃত্ব দেবে জাপান, চায়না ও ভারতের মতো। প্রথম পর্যায়ে দেশের ৮ বিভাগে থাকছে বাংলা গাড়ির শো-রুম। তাছাড়া আরো ৩০টি শো-রুম খুলতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

ইতোমধ্যে রাজধানীর তেজগাঁও ১৮১-১৮২ নম্বর ঠিকানায় ‘বাংলা কার’র একটি শো-রুম চালু করা হয়েছে। যেখানে দেশীয় নিজস্ব ব্র্যান্ডের ৮ রঙের গাড়িটি সাজিয়ে রাখা হয়েছে। ২০২১ সালের নতুন মডেলের গাড়িও শোভা পাচ্ছে সেখানে।

তবে গাড়ি বিক্রি কার্যক্রম শুরু হলেও আনুষ্ঠানিক যাত্রা এখনও শুরু হয়নি। ২৬ মার্চ এর উদ্বোধন হওয়ার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেয়া হয়। সব কিছু ঠিক থাকলে আসন্ন ঈদের পরই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

জানা গেছে, বাংলাদেশের নিজস্ব ব্র্যান্ডের বাংলা গাড়ি নির্মাণের জন্য জাপান, ইন্দোনেশিয়া ও চীনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে হোসেন গ্রুপ। ইশুজু ইঞ্জিন, জাপানি বডিতে নির্মিত গাড়িতে ‘লেখা থাকবে মেইড ইন বাংলাদেশ।’

জাকির হোসেন বলেন, আমরা দেশীয় ব্র্যান্ড, দেশীয় ডিজাইনে গাড়ি ম্যানুফ্যাচারিংয়ে যাচ্ছি। ইশুজু জাপানিজ ইঞ্জিন, চায়না বডি এবং ইন্দোনেশিয়ার চেসিস দিয়ে গাড়িগুলো তৈরি করছি। এসব গাড়ি অন্য গাড়ি থেকে ভিন্ন। ফোটন বা মিতসুবিশি একটা বা দুটি মডেলের গাড়ি তৈরি করতে পারবে কিন্তু বাংলা কারস সব মডেলের গাড়ি তৈরি করতে পারবে।

১৫০০ থেকে ২৫০০ সিসি পর্যন্ত যেটা ক্রেতার চাহিদা সেটা আমরা তৈরি করে দিতে পারবো। আবার ৮ রঙের গাড়ি থাকলেও ক্রেতা যদি অন্য কোনো রঙ পছন্দ করেন, আমরা সেটাও দিতে পারবো। দেশের মাটিতে দেশের তৈরি গাড়ি হলো ‘বাংলা কার’। এটা বিদেশি গাড়ি নয়, নিজেদের নামে নিজেদের গাড়ি প্রথমবারের মতো আমরা উৎপাদন করছি।