প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

ফেরি থেকে নদীতে পড়ে যাওয়া মাইক্রোবাসের চালকের পাশের দরজার কাচ খোলা

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

হঠাৎ ঝড়ো বাতাসে দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর পন্টুনের তার ছিঁড়ে ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাস নদীতে পড়ে ডুবে গেছে। এ ঘটনায় ডুবে যাওয়া মাইক্রোবাসের ভেতরে থাকা চালক এবং যাত্রীরা নি’খোঁজ রয়েছে। দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরি ঘাটের পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া মাইক্রোবাসটি দুই ঘণ্টা পর উ’দ্ধার করা হয়েছে। বেলা ১১টার দিকে নদীতে পড়ে যাওয়া মাইক্রোবাসটি বেলা দেড়টার দিকে উ’দ্ধার করা হয়। তবে মাইক্রোবাসের ভেতরে কাউকে পাওয়া যায়নি।

দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরি ঘাটের তার ছিঁড়ে পন্টুন নদীতে চলে যায়। এ সময় ফেরিতে ওঠার অ’পেক্ষায় পন্টুনে দাঁড়িয়ে থাকা ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাস নদীতে চলে যায়। মাইক্রোবাসের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উ’দ্ধারকাজ শুরু করে। দেড়টার দিকে মাইক্রোবাসটি নদী থেকে উ’দ্ধার করা হয়।

ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মাইক্রোবাসের ভেতরে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে চালকের পাশের দরজার কাচ খোলা পাওয়া গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের ইন্সপেক্টর আশরাফুল ইস’লাম বলেন, তার ভেতরে কোনো লোক ছিলো না। সে জন্য ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল চালককে উ’দ্ধারের চেষ্টা করছে।

তিনি আরো বলেন, সকাল আনুমানিক ১১টার সময় ঝড়ো বাতাসের কারণে দৌলতদিয়া ৫ নম্বর পন্টুনের তার ছিঁড়ে যায়। এসময় মাইক্রোবাসটি নদীতে পড়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ডুবে যায়। আম’রা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে রেকার দিয়ে গাড়িটি উ’দ্ধার করি এবং স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে গাড়িতে থাকা চালককে উ’দ্ধারের জন্য ডুবুরিরা চেষ্টা করছে।

তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, মাইক্রোবাস নদীতে পড়ে ডুবে যাওয়ার সময় চালক গাড়ির কাচ ভেঙে বাঁ’চার আকুতি জানালেও কেউ এগিয়ে আসেনি।

এদিকে দৌলতদিয়া নৌপু’লিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক আবদুল মোন্নাফ আলী বলেন, আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ঘাটে ভেড়ানো ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি মাধবীলতায় ঢাকাগামী মাইক্রোবাসটি উঠতে যায়। এ সময় কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে ঘাট থেকে পন্টুনের ডান পাশের তার ছিঁড়ে যায়। একই সঙ্গে পন্টুনের বাম পাশের খুঁটি ভেঙে পন্টুনটি পদ্মা নদীতে চলে যায়। এ সময় মাইক্রোবাসটি ফেরিতে ওঠার চেষ্টা করছিল। কিন্তু তার আগেই মাইক্রোবাসটি পেছনের দিকে গেলে সঙ্গে সঙ্গে পন্টুন থেকে সেটি নদীতে চলে যায়।

পু’লিশ পরিদর্শক মোন্নাফ আলী আরও বলেন, মাইক্রোবাসটিতে চালকসহ ঢাকাগামী কয়েকজন যাত্রী ছিলেন। তবে তাদের পরিচয় স’ম্পর্কে জানা যায়নি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস উ’দ্ধারকাজে আসে। দুপুর ১২টার পর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা উ’দ্ধারকাজ শুরু করেন। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মাইক্রোবাসটি পানিতে ভাসতে দেখা গেলেও কাউকে উ’দ্ধার করা যায়নি।