নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, শরীরের শেষ রক্ত দিয়ে হলেও শান্তির কোম্পানীগঞ্জকে অশান্ত হতে দিব না। কোম্পানীগঞ্জের মানুষ এমন হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড দেখতে চায় না। প্রয়োজনে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিব, তাও কোম্পানীগঞ্জে অশান্তি করতে দিব না।শনিবার (১২ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুল কাদের মির্জা বলেন, সকালে যে হামলার অভিযোগ উঠেছে আমি তার সঠিক তদন্ত দাবি করছি। শুধু এ ঘটনা নয়, সকল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তদন্তে যদি আমার কোনো নেতাকর্মী দোষী প্রমাণিত হয় তাহলে আমি স্বেচ্ছায় সাজা ভোগ করব।তিনি আরও বলেন, বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে হলেও কোম্পানীগঞ্জে কোনো অন্যায় হতে দিব না। কোম্পানীগঞ্জে কোনো টেন্ডারবাজি করতে দিব না।
মিজানুর রহমান বাদলের ওপর কে বা কারা হামলা চালিয়েছে তা জানেন না বলে দাবি করে কাদের মির্জা বলেন, একটা হামলার বিচার না হলে আরেকটা পাল্টা হামলা অস্বাভাবিক কিছু নয়। আমি বাজার ঘুরে পৌরসভায় আসার পর শুনলাম কে বা কারা বাদলের উপর হামলা চালিয়েছে।
তিনি দাবি করেন, এমপি একরামের নেতৃত্বে কবিরহাটে বৈঠক করে আজ (শনিবার) অথবা কাল (রোববার) আমার বাড়িতে হামলার পরিকল্পনা ছিল। আজ (শনিবার) তারা মিটিং শেষে একরাম ভূঞারহাট দিয়ে ফেনীর নিজাম হাজারীর কাছে অথবা চট্টগ্রাম এবং বাদল ও আলাল বসুরহাট আসে। পরে আলমগীর, জিসানসহ আগের আহত ১১ জনের আত্মীয়-স্বজনরা খবর পেয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
কাদের মির্জা আবারও কোম্পানীগঞ্জে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানান। এছাড়া অস্থিতিশীল কোম্পানীগঞ্জে শান্তি ফিরবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।এর আগে শনিবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় বসুরহাট বাজারে প্রধান সড়কের ইসলামী ব্যাংকের সামনে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের (৫০) ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
এসময় মিজানুর রহমান বাদল ও সাবেক ছাত্রনেতা হাসিব আহসান আলালকে (৪৮) মারাত্মক জখম ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। তাদেরকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।এদিকে হামলার প্রতিবাদে ও কাদের মির্জাকে গ্রেফতারের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার হরতালের ডাক দিয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু।













































