গত কয়েক মাসে প’রকীয়া এবং প্রেমের টানে ৯৭ জন নারী ও কিশোরী ঘর ছে’ড়েছেন পদ্মা, মেঘনা ও ডা’কাতিয়া নদীর মি’লনস্থলে অবস্থিত জে’লা চাঁদপুরে। এরমধ্যে শুধু মে মাসেই ৩০ জন কিশোরী নিখোঁ’জ হওয়ার বিষয়ে থা’নায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। নিখোঁজদের বেশিরভাগই স্কুল-কলেজে’র শিক্ষার্থী। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত চাঁদপুর মডেল থা’নায় ৯৭ জন নারী ও কিশোরী নিখোঁ’জে’র ঘ’টনায় জিডি হয়েছে। এদের অধিকাংশই প্রেমিকের হাত ধ’রে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। প্রিয় সন্তানের নিখোঁ’জে’র খবরে হ’তাশাগ্রস্ত অনেক বাবা-মা।
কয়েকজন অভিভাবক জা’নান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব’ন্ধের সুযোগে পড়ালেখার চা’প কম থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রেমের স’ম্পর্কে বেশি জড়াচ্ছে। বখাটে ছেলেদের স’ঙ্গে স’ম্পর্কের বিষয়টি পরিবারের লোকজন জা’নার পর মেনে না নেওয়ার কথা বললেই সুযোগ বুঝে প্রেমিকের হাত ধ’রে পালিয়ে যায়। কেউ কেউ পু’লিশের সহযোগিতা এবং পারিবারিক উ’দ্যোগে সন্তানদের খুঁজে বের ক’রেছেন। অনেক অভিভাবক কন্যার অব’স্থান জানতে পারলেও আই’নি জটিলতা, সামাজিক সম্মানহানি, পারিবারিক অসমতা এবং ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ফিরিয়ে আনতে নারাজ।
থা’না সূত্রে জা’না গেছে, চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজে’র ছাত্রী নিখোঁজ হওয়ায় অভিভাবকরা থা’নায় জিডি ক’রেছেন। এরমধ্যে অষ্টম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণির কিশোরী বেশি। পাশাপাশি প’রকীয়া ও পারিবারিক কলহের জে’রে অনেক নারী ঘর ছে’ড়েছেন। তাদের স্বামী থা’নায় নিখোঁজে’র জিডি ক’রেছেন। তবে নিখোঁজদের অনেকেই পরিবারের কাছে ফি’রে এসেছেন বলে জা’নিয়েছে পু’লিশ। মে মাস পর্যন্ত ৯৭ জন নারী ও কিশোরীর নিখোঁ’জে’র ব্যাপারে থা’নায় জিডি করা হয়েছে। এরমধ্যে শুধু মে মাসেই সর্বোচ্চ ৩০ জন কিশোরী নিখোঁ’জে’র বিষয়ে জিডি করা হয়েছে।
চাঁদপুর মডেল থা’নার ভারপ্রাপ্ত ক’র্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ বলেন, সোমবারও (৩১ মে) দুই কিশোরী নিখোঁজে’র জিডি হয়েছে। আম’রা এ বিষয়ে তদ’ন্ত করছি। তিনি বলেন, মোবাইল ফোনে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া কিশোরীরা ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রেমের স’ম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে। এছাড়া অনেক বিবাহিত নারী স্বামী বিদেশে থাকায় অন্যজনের স’ঙ্গে স’ম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছেন। হ’ঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছেন তারা।
ওসি আরও বলেন, ক’রোনাভা’ইরাসের কারণে অনেক অভিভাবক ছেলেমেয়েদের হাতে মোবাইল তুলে দিয়েছেন। তারা মনে করেন সন্তানরা অনলাইনে ক্লাস করে। আ’সলে তা নয়। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সন্তানরা বিভিন্ন অপক’র্মে জড়িয়ে পড়ছে। এজন্য অভিভাবকদের আরও স’চেতন হতে হবে। ছেলেমেয়েরা কখন কি করে, কোথায় যায় সব খবর রাখতে হবে।
ওসি আব্দুর রশিদ বলেন, লকডাউনের বিধিনি’ষেধ শিথিল ও গণপরিবহন চালু হওয়ার পর থেকে জে’লা থেকে অন্যত্র যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। এ কারণে বিভিন্ন স্থানে যাওয়া এবং যোগাযোগ সহজ হয়েছে। এ সুযোগে কিশোরী-তরুণীরা বাড়ি থেকে চলে যাচ্ছেন। সূত্র: বিডি২৪লাইভ













































