প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ভুয়া বিয়ে, ফেসবুক বার্তায় ব্যবস্থা নিলো পুলিশ

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রে’মের স’ম্পর্ক গড়ে বন্ধুদের উপস্থিতিতে মৌলভী ডেকে তাকে বিয়ে করেন এক ব্যক্তি। সরকারি নথিতে রেজিস্ট্রি ছাড়াই তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। কিছুদিন পর অন্য নারীর সঙ্গে স্বামীর স’ম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারেন। স্বামী ও তার পরিবারের কাছে স্বীকৃতি না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন ওই শিক্ষার্থী। এরপর পু’লিশের ফেসবুক পেজে বার্তা দিয়ে সহায়তা চান ভুক্তভোগীর বোন।

পু’লিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) মো. সোহেল রানার পাঠানো এক বার্তায় সম্প্রতি এসব তথ্য জানা যায়।

সেই বার্তা পেয়ে স্বামীর পরিবারের স্বীকৃতি আদায় ও আনুষ্ঠানিক বিয়ের ব্যবস্থা করে পু’লিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং। এরপর ওই শিক্ষার্থীকে নি’র্যাতন করে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে ফের অ’ভিযোগ দায়েরের পর স্বামী ও পরিবারের লোকদের গ্রে’প্তার করতে মাঠে নামে পু’লিশ।

পু’লিশ জানায়, লোকটির পরিবারের আর্থিক অবস্থা বেশ ভালো। মে’য়েটির পরিবারও শিক্ষিত ও মধ্যবিত্ত। মৌলভী ডেকে এনে তার মাধ্যমে বিয়ে পড়ানো হয়। মে’য়েটিকে বোঝানো হয় ধ’র্মমতে এটাই বিয়ে। মে’য়েটিও লোকটিকে বিশ্বা’স করে। লোকটির চলাফেরায় এক পর্যায়ে মে’য়েটির স’ন্দেহ হয়। অন্য এক নারীর সঙ্গে স্বামীর স’ম্পর্কের কথা টের পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে বিষয়টি অস্বীকার করে। একপর্যায়ে তাকে ভালোয় ভালোয় সরে যেতে বলা হয়। এতে মে’য়েটি মানসিকভাবে ভীষণ ভেঙে পড়ে। এরপর সে তার বড় বোনের কাছে সব খুলে বলে।

বড় বোন বাংলাদেশ পু’লিশ অফিসিয়াল ফেসবুক পেজের ইনবক্সে ছোট বোনের জন্য সহযোগিতা চেয়ে বার্তা পাঠান। পু’লিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং সেই বার্তা পেয়ে খিলগাঁও থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) মো. ফারুকুল আলমকে বার্তাটি পাঠায় এবং ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়।

খিলগাঁও থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা মে’য়েটি ও তার পরিবারকে থা’নায় ডাকেন। ছে’লেটি ও তার পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়। পু’লিশি ও আইনি ঝামেলা এড়াতে লোকটির পরিবার মে’য়ের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কয়েকদিনের মধ্যেই একটি সম্মানজনক দেনমোহর ধার্য করে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে।

ঘটনার এখানেই শেষ নয়। মে’য়েটির সঙ্গে তার শ্বশুড়বাড়ির লোকজন ভালো আচরণ করে না। তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নি’র্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়। এরপর ওসি ঘটনাস্থলে একটি মোবাইল টিম পাঠান। মে’য়েটিকে তার শ্বশুড়বাড়িতে তুলে দেয়া হয়। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে মে’য়েটির স্বামী এবং অন্য অ’ভিযু’ক্তরা বাড়ি ছেড়ে আগেই পালায়। মে’য়েটির কাছ থেকে একটি অ’ভিযোগ গ্রহণ করা হয়। মা’মলা’টি ত’দন্তাধীন রয়েছে।