দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি নিয়ে একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো পদোন্নতির এই নির্দেশনা জারি করলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
![]()
সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) মণিষ চাকমা স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনা পত্রে সহকারী শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ জ্যেষ্ঠতার তালিকা চাওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে দেশের জেলা ও উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের এ সংক্রান্ত পত্র পাঠানো হয়েছে।
![]()
পদোন্নতির বিষয়টি কেন বাস্তবায়ন হচ্ছে না এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) মণিষ চাকমা বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘এটি বাস্তবায়ন হাওয়া না হওয়া সম্পূর্ণই অধিদপ্তরের হাতে। আমি শুধু নির্দেশনা মোতাবেক চিঠিতে স্বাক্ষর করেছি। এর আগে চারবার এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছিলো কি না সে বিষয়টি আমার জানা নেই।’
![]()
এদিকে পদোন্নতি বাস্তবায়ন না হওয়াতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। তারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির বিষয়টি আটকে আছে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে। এছাড়াও উপজেলা শিক্ষা অফিসগুলো নিজেদের দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করছে না বলেও অভিযোগ করেন শিক্ষকরা।
![]()
নতুন করে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়, এর আগে সহকারী শিক্ষকদের সম্মিলিত পূর্ণাঙ্গ জ্যেষ্ঠতা তালিকা পাঠানোর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে একাধিকবার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অধিদপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত গাইডলাইনও পাঠানো হয়েছিল এবং গত ১৫ এপ্রিলের মধ্যে দেশের প্রতিটি জেলায় সকল উপজেলার প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় তথ্য শুদ্ধভাবে এন্ট্রি সম্পন্ন করে [email protected] ইমেইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে অবগত করতে অনুরোধ করা হয়েছিল। তারপরও সফটওয়ার এট্রি ড্যাশবোর্ড দেখা যাচ্ছে যে, জেলা ও উপজেলার শতভাগ শিক্ষকের তথ্য এন্ট্রি সম্পন্ন হয়নি।
![]()
এই পত্র পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে ইমেইলে বিনা ব্যর্থতায় দেশের সকল উপজেলার সহকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় তথ্য শুদ্ধভাবে এন্ট্রি ও অনুমোদন সম্পন্ন করে অধিদপ্তরে পাঠাতে অনুরোধ করা হলো। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের আলাদা ইমেইলে প্রতিটি জেলার উপজেলাভিত্তিক এন্ট্রি স্ট্যাটাস জানানো হবে।













































