সম্প্রতি বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য আলোচিত-সমালোচিত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ অভিনীত বাংলা সিনেমার একটি দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সিনেমার ওই দৃশ্যে ঢাকা পুলিশ কমিশনারের ভূমিকায় তিনি অভিনয় করেছেন। ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা শহরের গডফাদারদের ধরার জন্য পুলিশের অনান্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিচ্ছেন।
একজন উপাচার্য হয়েও সিনেমায় অভিনয় করা নিয়ে অনেকেই নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন; পাশাপাশি অনেকে আবার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখেছেন। তবে সার্বিক বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন ভিসি নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ। কলিমউল্লাহ বলেন, ফেসবুকে যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে সেই সিনেমায় আমি প্রথম অভিনয় করি। ব্যাপক ব্যবসা সফল সিনেমা ‘শ্যুটার’, যেটি একসঙ্গে দেশব্যাপী ১৪৮ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।
শ্যুটার সিনেমায় আমি মূলত ঢাকার পুলিশ কমিশনারের চরিত্রে অভিনয় করি। কোনও চলচ্চিত্রে নায়কের চরিত্রে অভিনয় করতে চান কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনও পরিচালক যদি এমন প্রস্তাব দেন, তাহলে সানন্দে গ্রহণ করবো। নিজের অভিনয় জীবনের ইতিহাস টেনে গণমাধ্যমকে কলিমউল্লাহ বলেন, তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে (পুরান ঢাকার আহসান মঞ্জিল সংলগ্ন ওয়াইজঘাটে)।
সেখানে তিনি তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। সেখানে পড়তে গিয়ে তিনি অভিনয়সহ নাচ-গানের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন। পারিবারিক অনুপ্রেরণাও তার সঙ্গী ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হয়েও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছি।
এটা করতে গিয়ে কখনো কখনো আমি দিনে ২২ ঘণ্টা কাজ করে থাকি। কাজের ফাঁকে আমি যে অভিনয় করছি, এটা সবার ইতিবাচক হিসেবে দেখা উচিত। আমি মনে করি আমাকে দেখে অন্য কোনো উপাচার্যের মনে যদি অভিনয়ের সুপ্ত ইচ্ছে থাকে তাহলে সব সংশয় দূর করে তিনিও অভিনয় আসবেন।’
=













































