প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই—এমন কারণে আরব আমিরাতে যাওয়ার উড়োজাহাজেই উঠতে দেওয়া হলো না সরফরাজ আহমেদসহ পাকিস্তানের ১১ জন ক্রিকেটারকে। করোনার কারণে আইপিএলের মতোই পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ পিএসএলের বাকি অংশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আরব আমিরাতে।
![]()
সে লক্ষ্যেই সেখানে যাচ্ছিলেন তাঁরা। তবে তাঁদের পরে বাহরাইন হয়ে আমিরাতে পাঠিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। পিএসএলের বাকি অংশ মাঠে গড়ানোর কথা আগামী ৫ জুন। প্রথমে কথা ছিল ২৫ মে লাহোর ও করাচি থেকে দুটি ভাড়া করা বিমানে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের আবুধাবি নিয়ে যাওয়া হবে। কিন্তু সেটি নিয়েই প্রথমে জটিলতা দেখা দেয়।
![]()
জানা গেছে, আমিরাতে নাকি সেই ভাড়া করা বিমানগুলো অবতরণেরই অনুমতি পায়নি। পিএসএলে ভারতীয় ও দক্ষিণ আফ্রিকান সম্প্রচারকর্মীদের অনুমতিপত্র না মেলায় নাকি এমনটি হয়েছে। পরে অনুমতি মেলায় পিসিবি বেশির ভাগ ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফ ও সম্প্রচারকর্মীদের আবুধাবি পাঠিয়েছে। বাকি ছিলেন সরফরাজরা। তাঁরাই কাল যাচ্ছিলেন সেখানে। কিন্তু সেখানেই গড়বড়। ১৬ জন ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফের ১১ জনই কাল বিমানে চড়তে পারেননি।
![]()
পিসিবির একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘আমরা এই দুর্ভোগের জন্য সত্যিই দুঃখিত। কিন্তু সময়টাই এমন। অনেক বাধাবিপত্তি পেরিয়ে আমাদের সবকিছু আয়োজন করতে হচ্ছে। অনেক বিষয় আছে, যেগুলো নতুন করে সামনে আসছে। এসব সমস্যা সমাধানে পিসিবি কাজ করছে। আবুধাবি স্পোর্টস কাউন্সিল ও এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে মিলেমিশে পিসিবি সময়মতো পিএসএল-সংশ্লিষ্ট সবাইকে সময়মতো আবুধাবি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।’
![]()
পাকিস্তানে করোনার প্রকোপ কমার পর গত ফেব্রুয়ারিতে পিএসএল শুরু হয়। বেশ কিছু ম্যাচও অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু মার্চের প্রথম সপ্তাহে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সবকিছু এলোমেলো করে দেয়। বেশ কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির ক্রিকেটার ও স্টাফ করোনা আক্রান্ত হন। পিসিবির জৈব সুরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে দেখা দেয় প্রশ্ন। এরপরই টুর্নামেন্টটি স্থগিত করে দেওয়া হয়।
![]()
এখন সংযুক্ত আর আমিরাতে নতুন সূচিতে বাকি পিএসএল আয়োজন করতে গিয়ে নানামুখী জটিলতার মুখোমুখি পিসিবি। তারা চাইছে যেকোনো মূল্যে পিএসএলের বাকি ২০ ম্যাচ আয়োজন করতে













































