প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

পাঁচ হা’জার ব্যক্তির মো’বাইল নম্বর মুখস্থ,নাম ব’ললেই টাকা পাঠান জন্মান্ধ মিজানুর

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

অ’ন্ত’ত পাঁচ হাজার ব্যক্তির মোবাইল নম্বর মুখস্থ বলতে পারেন ফ্লেক্সিলোডের দোকানদার জন্মান্ধ মিজানুর রহমান (২২)।দোকানে এসে নাম বললেই নির্দিষ্ট ব্যক্তির মোবাইল ন’ম্ব’রে পাঠিয়ে দেন ফ্লে’ক্সিলোডের টাকা।আবার কারও

কণ্ঠ শুনে,কারও মো’বা’ইল নম্বরের শেষের দুই ডিজিট ব’ল’লে’ই ওই ব্যক্তির মো’বা’ইল নম্বরে টাকা পাঠিয়ে দিতে পা’রে’ন তিনি।অবিশ্বাস্য প্র’তি’ভা’বা’ন মিজানুর র”হমানের বাড়ি কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বন্দবেড়

ই’উনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চল টাঙ্গারিপাড়া গ্রামে।এই গ্রামের দরি’দ্র কৃষক মনতাজ আলী ও মোমেনা খাতুন দম্পতির সন্তান মি’জা’নু”র।দুই ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছোট।বড় বোন মরি”য়’মের বিয়ে হয়েছে।সংসারে মিজানুর ও তার

মা-বাবা।অ’ষ্ট’ম শ্রেণি পর্যন্ত প’ড়া’শোনা করলেও অন্ধ হও’য়ায় বেশি দূর প’ড়াশোনা করতে পারেননি মিজানুর। অ’ভা’বে’র সংসারে প’ড়ালেখার পাঠ চুকিয়ে সংসারের হাল ধ’র’তে ২০১৭ সালে ফ্লে’ক্সি’লোডের দোকান দেন

তিনি।ব্যবসার শু’রু’তে কিছুটা বিড়’ম্বনার শিকার হলেও এখন আর স’ম’স্যায় পড়েন না মিজানুর।গত দুই বছরে আ’ত্ম’বিশ্বাস ও প্রবল স্মরণশক্তির মাধ্যমে গ্রামের পাঁচ হা’জা’র ব্যক্তির মো’বা’ইল নম্বর মুখস্থ করে ফেলেছেন

তিনি।এখন গ্রামের যে’কো’নো ব্যক্তি নাম ব’ললেই তার মোবাইল নম্বরে ফ্লেক্সিলোড,বি”কাশ ও রকেট করে টাকা পা”ঠা’ন মিজানুর।মিজানুর গ’ণ’মা’ধ্যমকে বলেন,তিনি গ্রামের তিন হা’জার ব্যক্তির নাম ও মোবাইল নম্বর হুবহু

বলতে পা’রেন।এর বাইরে বাকি দুই হাজার ব্যক্তির নাম ও মো’বা’ই’ল নম্বর জা’নে’ন তিনি।এক্ষেত্রে মো’বাইল নম্ব’রে’র শেষ দুই ডি’জিট বললেই তিনি বুঝতে পারেন ওটা কার নম্বর।চোখে না দে’খ’লেও কোন বাটনে কোন

সংখ্যা এটা মো’বা’ই’লে’র ওপর হাত রেখে বলে দিতে পারেন বলেও জানান তিনি।মিজানুর রহমান ব’লেন,দিনে ৩০০-৪০০ টাকা আয় হয়।এই দিয়ে অ’তিকষ্টে পরিবার-পরি’জন নি”য়ে জীবনযাপন করছি।অর্থ সংকটের কারণে

ব্যবসার পুঁজি বৃদ্ধি ক’রতে পারছি না।কেউ যদি আমার দুই চো’খের চিকিৎসার সুব্যবস্থা করতেন তাহলে পৃথিবীর আলো দেখ’তে পারতাম।মিজানুরের বাবা মনতাজ আলী ব’লে’ন,আ’মা’র এক ছেলে ও এক মেয়ে।এর ম’ধ্যে

মিজানুর জন্ম থেকেই অন্ধ।অ’ভাবের সংসারে মিজানুরের চি’কি’ৎসার জন্য উ’লি’পু’র,রংপুর ও দিনাজপুর চক্ষু হা’স’পা’তা’লে নিয়ে গিয়েছিলাম।চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার চোখের অপারেশন করতেচেয়েছিলেন।

কিন্তু টাকার অভাবে অপারেশন করাতে পা’রিনি।বর্তমানে ১০ শ’তক ব’স’তভিটা ছাড়া আমা’র কিছুই নেই।কেউ যদি ছেলের চিকিৎসা খরচ দেয় আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব।রৌ’মা’রী উপজেলা নি”র্বা’হী কর্মকর্তা মো.আল ইমরান

ব’লে’ন,আমি মি’জা’নু’রের বিষয়টি জানতে পেরেছি। খোঁ’জ’খ’ব’র নিয়ে মিজানুরের জন্য সরকারি প্রকল্পের বি’ভি’ন্ন সহযোগিতা দে’য়া’র চেষ্টা করব।