প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মহাসড়কে দূরপাল্লার গণপরিবহন

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

একদিকে দেশে চলছে করো’নার প্রাদুর্ভাব, অন্যদিকে চলছে সংক্রমণ মোকাবেলায় জো’রকদমে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ। ঈদকে সামনে রেখে চতুর্থ দফার এই বিধিনিষেধে জে’লার অভ্যন্তরে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দিয়েছে সরকার। তবে বন্ধ রয়েছে আন্তঃজে’লা গণপরিবহন। কিন্তু সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সন্ধ্যার পর থেকেই স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে দূরপাল্লার গণপরিবহন চালু রেখেছেন এক শ্রেণির অসাধু বাস মালিকরা।

আজ শনিবার(৮ মে) দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট এলাকায় গিয়ে সরেজমিন এবং সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, লকডাউনের শুরু থেকে জরুরি যানবাহন নদী পারাপারের জন্য সীমিত আকারে ফেরি চলাচল করে। এই সুযোগে প্রতিনিয়ত পন্যবাহী ট্রাক ও এ্যাম্বুলেন্স এর পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১৫শত ব্যক্তিগত যানবাহন নদী পার হয়ে থাকে।

সেই হিসেবে দুই পার মিলে প্রায় ৩ হাজার ব্যক্তিগত যানবাহন নদী পারাপার হয়ে থাকে। যানবাহনের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষ নদী পারাপার হয়ে আসছে। এ সময় কাউকে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা দূরে থাক মুখে মাস্ক পর্যন্ত দেখা যায় না।

অন্যদিকে সাম্প্রতিক(৬ মে) সন্ধার পর পর মহাসড়কে প্রশাসনের তৎপরতা নেই ভেবে চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালীসহ বেশ কয়েকটি জে’লা থেকে দূরপাল্লার বাস অধিক যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্য এবং ঢাকা থেকেও বিভিন্ন জে’লায় যাতায়াত শুরু করছে।

কুমিল্লা জে’লা প্রশাসকের নির্দেশে ওইসব পরিবহনের বি’রুদ্ধে অ’ভিযানে নামে ভ্রাম্যমান আ’দালত। শুক্রবার (৭ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা অংশে অ’ভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আ’দালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজে’লা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বিভীষণ কান্তি দাশ। এসময় ৫টি বাসের চালককে ৫ হাজার টাকা করে মোট ২৫ হাজার টাকা জ’রিমানা আদায় করা হয়।

ভ্রাম্যমান আ’দালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিভীষণ কান্তি দাশ জানান, স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করার পাশাপাশি সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এক জে’লা থেকে যাত্রী নিয়ে অন্য জে’লায় যাতায়াত করায় তাদেরকে আ’ট’ক করে জ’রিমানা করা হয়েছে। আমাদের অ’ভিযান অব্যাহত থাকবে।

সেইসাথে চান্দিনা থা’না পু’লিশ ভ্রাম্যমান আ’দালতের অ’ভিযানে সহযোগিতা করেন।

উল্লেখ্য, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে। ঘরে ফিরছে মানুষ। দুরপাল্লার গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও চলছে ভাড়ায় চালিত প্রাইভেট’কার-মাক্রোবাস। লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকলেও চলছে ফেরি। এদিকে ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখি হচ্ছে সাধারণ মানুষ। এতে নৌরুটে ও ঘরমুখি মানুষের ব্যক্তিগত যানবাহনের উপচে পড়া ভিড় দেখা মেলে সবখানে।