প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

নামাজ পড়ে ফিরছিলেন বৃ’দ্ধ, মা’রধর করে দাড়ি কে’টে নিল হিন্দুরা

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

ভারতের উত্তর প্রদেশের আবদুল সামাদ নামের এক বৃ’দ্ধ নামাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন। তখন রাস্তা থেকে কয়েকজন যুবক তাকে নির্জন স্থানে তুলে নিয়ে যায়। এরপর মাধরর করা হয় এই মু’সলিম বৃ’দ্ধকে। পরে ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে বললে তিনি অস্বীকার করেন। এ কারণে রাস্তায় ফে’লে লা’ঠি দিয়ে পে’টানো হয় তাকে। শুধু তাই নয়, তার দাড়িও কে’টে নেওয়া হয়। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় মা’মলা দা’য়েরের পর একজনকে গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ।

গত ৫ জুন গাজিয়াবাদের লোনি এলাকার মসজিদ থেকে নমাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন আবদুল সামাদ। অভিযোগ উঠেছে, কয়েকজন যুবক তাকে অটোরিকশা থেকে তুলে নিয়ে যায়। ঝোপঝাড়ে ঢাকা এলাকায় নিয়ে গিয়ে বৃ’দ্ধকে বে’ধড়ক মা’রধর করে অ’ভিযুক্ত যুবকরা। ‘জয় শ্রীরাম’ বলতেও বা’ধ্য করা হয়। আবদুল সামাদ তাদের কথা না মানায় রাস্তায় ফে’লে লা’ঠি দিয়ে মা’রা হয়। আবদুল সামাদ বলেন, ‘লাল টিশার্ট পরা এক যুবক তার গ’লায় ছুড়ি রেখে “জয় শ্রীরাম” বলতে বা’ধ্য করে। তিনি ওই ধ্বনি দিতে অস্বীকার করলে দাড়ি কে’টে নেওয়া হয়। এমন কী তাকে পাকিস্তানি চর বলেও কটাক্ষ করে ওই যুবকেরা।’

ওই ঘটনার আ’তঙ্ক এখনো কাটেনি আবদুল সামাদের। আ’তঙ্কিত ওই প্রৌঢ় কাঁপা কাঁপা গ’লায় তার অভিজ্ঞতা শুনিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তিনি বলেন, ‘অটোয় চে’পে বাড়ি ফিরছিলাম। সেই অটোতে আরও দুই যুবকও ওঠেন। তারা আমাকে জোর জবরদস্তি করে একটি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে আমাকে মা’রধর করে। জোর করে স্লোগান বলতে বা’ধ্য করা হয়। দাড়ি কে’টে নেওয়া হয়। এমন কী ওই যুবকেরা আমাকে বলেছিল, তারা এর আগেও একাধিক মু’সলিমকে মা’রধর করেছে। খু’ন করতেও ভ’য় পায় না তারা।’

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দা’য়ের হয় করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পরবেশ গুজ্জর নামের একজনকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লা’শি শুরু করেছে রাজ্য পুলিশ।

সূত্র: এনডিটিভি।