প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

দ্বাদশে ফেল করা সাঈদ রিয়াজ এখন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা

6

সাফল্যর গল্পটি একেক জনের একেক রকম। কঠোর পরিশ্রমের পরই মেলে সাফল্য। এর কোনো বিকল্পও নেই। চাকরির প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সফলতার পেছনের গল্পটি আলাদা আলাদা হলেও এর পেছনে থাকে চূড়ান্ত পরিশ্রম। তেমনি সফল একজন সাঈদ রিয়াজ আহমেদ। দ্বাদশে ফেল করা এই সাঈদ রিয়াজ ভা’রতের আই’এস অফিসার হয়েছেন।

ভা’রতের মহারাষ্ট্রের নাসিকের বাড়ি সাঈদ রিয়াজ আহমেদের। পুনে ইউনিভা’র্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর করেছেন। এমএসসির পর ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (UPSC) অধীনে পরীক্ষা দিয়ে সরকারি কর্মক’র্তা হওয়ার জন্য পরীক্ষা দেন। প্রস্তুুতি শেষে বনে যান আইএ্এস (ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস)।

সাঈদ রিয়াজের আইএএস হতে সময় লেগেছে ৫ বছর। ২০১৪ শুরু করেন প্রস্তুতি। ১৪, ১৫ প্রিলিমিনারি পেরুতে পারেননি। ২০১৬ সালে প্রিলিমিনারি, মেনসে কোয়ালিফাই করলেও নির্বাচিত হননি। ২০১৭ সালে হননি সফল। তবে হাল ছাড়েননি। ২০১৮ সালে ভা’রতের কেন্দ্রীয় সরকারে অধীন ইউপিএসসি জয় করে ফেলেন। তবে যাত্রাপথটা ছিল কঠিন। এই সময়ের মধ্য একবার হাল ছেড়ে দেওয়ার কথাও ভেবেছিলেন। এ যাত্রায় এগিয়ে আসেন বাবা। বুুজিয়ে আবারও পরীক্ষার জন্য তৈরি হন রিয়াজ। জো’র প্রস্তুতিতে মেলে সাফল্য।

সাঈদ রিয়াজ আহাম’রি কোনো শিক্ষার্থী ছিলেন না। গড়পড়তা ছাত্র। দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় পাস করতে পারেননি অঙ্কে। শিক্ষকেরাও হাল ছেড়ে দেন। জীবনে কে কি হবে বা কে কি করবে তা পরীক্ষা বা নম্বর যে ঠিক করে দেয় না, তার উদাহ’রণ হতে পারেন সাঈদ রিয়াজের জীবনের গল্প। আর বাবার বিশ্বা’স ছিল সাঈদ পারবে। বাবাকে হতাশ করেননি সাঈদ রিয়াজ।

ইনস্টাগ্রামে নিজে জীবনের গল্প শুনিয়েছেন। সাঈদ রিয়াজ আহমেদ বলেন, ইউপিএসসির প্রস্তুতি জীবনের আসল মূল্যবোধ স’ম্পর্কে শিক্ষা দেয়। সেই মূল্যবোধের উপর নির্ভর করে জীবনে সামনের দিকে এগিয়ে চলা উচিত। পরীক্ষার সময় বেশি বেশি পড়াশোনা আর জানা বিষয় গু’লিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। বিষয় স’ম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা যেন থাকে নজর দিতে হবে সেদিকে। লেগে থাকা আর কঠোর পরিশ্রমই ইউপিএসসিতে সাফল্যের মূল কথা। তথ্যসূত্র: বাইজুস, ইউটিউব