ফেইসপ্যাক এর কথা বললে আমাদের সবার প্রথমে মনে পড়ে বিউটি পার্লারের কথা। কিন্তু বিউটি পার্লারে গিয়ে রূপচর্চা করা আমাদের সবার পক্ষে সম্ভব হয়না, কারো জন্য সময়ের সমস্যা আর কারো জন্য অর্থনৈতিক সমস্যা।
![]()
তাই আজকে আমি আপনাদের সামনে মিষ্টি কুমড়ার ফেইসপ্যাক নিয়ে এসেছি। এই অসাধারণ ফেসপ্যাকটি ব্যবহার করলে আপনার চেহারার সমস্ত দাগ দূর হয়ে যাবে এবং আপনি খুব দ্রুত উজ্জ্বল এবং ফর্সা হয়ে যাবেন। এই ফেসপ্যাকটি এতটাই কার্যকরী যে প্রথম ব্যবহার থেকেই আপনি অনেক উপকার পাবেন
মিষ্টি কুমড়ার ফেইসপ্যাক টি তৈরি করার নিয়মঃ
![]()
১ । এই মিষ্টি কুমড়ার ফেইসপ্যাক টি বানানোর জন্য ১ টি আলু ও ৩০ গ্রাম পাকা মিষ্টি কুমড়া সেদ্ধ করে নিতে হবে ।
২। আলু ও মিষ্টি কুমড়া সেদ্ধ করার পর এটাকে ঠান্ডা করে নিতে হবে।
৩। আলু ও মিষ্টি কুমড়া ঠান্ডা হবার পর এদেরকে ব্লেন্ড করে একটি কাঁচের কৌটায় নিয়ে স্টোর করে রাখতে হবে ।
৪।এবার একটি পরিস্কার বাটিতে ৩-৪ চামচ এই মিশ্রণ নিন।
![]()
৫। এর সাথে এড করুণ ১ চামচ কাঁচা তরল দুধ ।
৬। সব শেষে ১ চামচ মধু দিয়ে এদেরকে ভাল করে মিশিয়ে নিন।
এই মিষ্টি কুমড়ার ফেইসপ্যাকটি ব্যবহার করার নিয়মাবলীঃ ফেইসপ্যাকটি তৈরি হয়ে গেলে একটি ব্রাশের সাহায্যে চেহারায় apply করে নিন । ফেইসপ্যাকটি মুখে লাগিয়ে শুকিয়ে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুণ।
ফেইসপ্যাকটি শুকিয়ে গেলে ত্বক পরিস্কার জল দিয়ে ধুয়ে নিন।
![]()
ফেইসপ্যাক টি কাজ করার কারণ
আলুঃ আলুর মধ্যে ত্বকের দাগ ছোপ দূর করার গুণাগুণ পাওয়া যায়। তাছাড়া আলু আমাদের ত্বকের রংকেও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে ।এছাড়াও আলুর মধ্যে ভরপুর মাত্রায় ভিটামিন সি ও জিংক পাওয়া যায় যা ত্বক হতে ডেড স্কিন সেল, ডার্ক সার্কেল ও রিংকেলস্কে দূর করে দিয়ে ত্বকে প্রাকৃতিকভাবে ফেয়ারনেস ও গ্লো নিয়ে আসবে।
![]()
মিষ্টি কুমড়াঃ মিষ্টি কুমড়ার মধ্যে এ্যানজাইম এবং আলফা হাইড্রোক্সি এসিড রয়েছে যা স্কিন সেল প্রোডাকসনকে বোষ্ট করে ত্বককে ব্রাইট এবং স্মোথ করে তুলে ।
কাঁচা তরল দুধঃ কাঁচা দুধের মধ্যে ল্যাকটিক এসিড থাকায় দুধ আমাদের ত্বক থেকে ভিবিন্ন ধরণের ডার্ক স্পট,ব্রণের দাগ ,রোদে পুড়াদাগকে দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল ও ফর্সা করতে সাহায্য করে।
নোটঃ মিষ্টি কুমড়া এবং আলু তরতাজা নেওয়ার চেষ্টা করবেন। সিদ্ধ করা মিষ্টি কুমড়া এবং আলু কে আপনি ফ্রিজে সাতদিন পর্যন্ত স্টোর করে রাখতে পারবেন।
![]()
প্যাকটি ব্যবহার করার পূর্বে আপনার মুখ ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে নিবেন। আপনারা যে কাঁচা তরল দুধ ব্যবহার করবেন লক্ষ্য রাখবেন কাঁচা তরল দুধ যাতে ভালো মানের হয়। মধু ব্যবহার করার সময় চেষ্টা করবেন 100% খাঁটি মধু ব্যবহার করার জন্য।













































