ব্লু ম’স’জিদে প্রবেশ করে একটি তাসবিহ ও জায়নামাজ নেই এবং কি’ছু’ক্ষণ তাসবিহ পাঠ করি।প্রায় এক ঘণ্টার মতো আমি তা’সবিহ পড়ি।মসজিদের চারপাশ দেখে মুগ্ধ হয়ে পড়ি।মস’জি’দে’র ভে’তরের সৌন্দর্য অবাক করার
মতো।ভে’ত’রে প’রি’বে’শ অত্যন্ত শান্ত ও নীরব।আমার সা’মনে অনেক মানুষকে একসাথে নামাজ আদায় করতে দেখি।মসজিদের ভেতরের অবিশ্বাস্য মুগ্ধকর দৃশ্য ও নীরব প’রি’বে’শ উপভোগ করতে থাকি।আ”মাকে দেখে কেউ
আ’ও’য়াজ করছেন না দেখে খুবই অবাক হই।কথাগুলো সংবাদ মা’ধ্য’ম’কে বলছিলেন ব্রিটিশ অভিনেত্রী আয়েশা রোজালি।তুর’স্কে’র বি’খ্যা’ত ব্লু মসজিদ।এটি সু’ল’তান আ”হমে’দ ম’স”জিদ নামেও পরিচিত।আর এই মসজিদ
ভ্র’ম’ণ করে ইসলামের প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট হন এক ব্রিটিশ ম’হি’লা।দুই বছর আগে আয়েশা রোজালি নামের ওই ব্রিটি’শ নারী এ মসজিদ ভ্রমণে আসেন।এরপর থেকে তিনি ই’স’লা’ম নিয়ে গবেষণা শুরু করেন এবং ইসলাম
ধর্ম গ্র’হণ করেন।এরপর তিনি স’ম্পূ’র্ণ’ভা’বে নিজেকে ই’সলাম প্রচারে নি’য়ো’জি’ত করেন।জানা যায়,আয়েশা রো’জা’লি আমেরিকার লস এঞ্জেলেসের বা’সিন্দা।যদিও একসময় রো”জালি অভিনেত্রী হতে চেয়েছিলেন।অভিনেত্রী
হিসেবে প্র’শিক্ষণও নেন।তিনি মাত্র ১৪ বছর বয়স থেকে অ’ভি’নয় শুরু করেন।কিন্তু ইসলাম গ্রহণের পর রোজালি পুরোপুরি অ’ভি’ন’য় ছেড়ে দেন।বর্ত’মা’নে তিনি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ই’সলামের বাণী প্রচার করেন।রোজালি
জা’না’ন,ইসলাম গ্রহণে আগ্রহীদের আমি সহায়তা করতে চাই।আমি চাই আরো বেশি মানুষ ই’স’লা’মের ছায়াতলে আসুক।এমনকি রোজালি জা’না’ন,মুসলিম হওয়ার আগে আমি কোনো ধর্ম অনুসরণ করতাম না।তবে ছো’ট’বে’লা
থেকে একজন ঈশ্বর আছেন বলে আমার বি’শ্বা’স ছিল। তাছাড়া আ’মা’র মা-বাবা ধার্মিক না হওয়ায় ধর্মের প্রতি আমার অ’নু’রাগও ছিল না।তাই ইসলাম গ্র’হণের আগে তেমন ধা’র্মি’ক লোক আমি দে’খিনি।তুরস্ক ভ্রমণের কথা
জানিয়ে বলেন,তুরস্কে এসে ধর্ম স’ম্পর্কে জানার আমার কোনো আ’গ্র’হ ছিল না।গুগলে চার্চ করে ব্লু মস’জিদের স’ন্ধা’ন পাই।মনে মনে ভাবি যে এই ম’স’জিদে আমার যাওয়া উ’চি’ত।মসজিদ পরি’দর্শন করার আগে রোজালি
স্থানীয় দোকান থেকে হিজাব কি’নে’ন।সবার কাছে আমি সম্মানিত থা’ক’তে চাই। আমি ভেবেছিলাম,চুল দৃ’শ্যমান রাখলে মানুষ আমার ওপর রাগ করবে।তাই একটি হিজাব কিনি।যেন কেউ আ’প’ত্তি জা’না’তে না পারে।













































