নওগাঁর আত্রাই উপজে’লার ব্রজপুর গ্রামের লবা প্রামাণিক মানসিক ভা’রসাম্যহীন তিন ছে’লে-মে’য়ে নিয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। দুমঠো ভাত যোগানোই যখন তার জন্য ক’ষ্ট’কর ঠিক সে সময় অ’ভিভাবক হিসেবে সন্তানদের চিকিৎসার কথা ভাবতেই পারছেন না তারা।
মানসিক ভা’রসাম্যহীনতার কারণে নিরুপায় হয়ে লবা প্রামাণিক দম্পতি তাদের অ’সুস্থ ছে’লে-মে’য়েদের প্রায় দশ বছর ধরে শিকলব’ন্দি করে রেখেছেন। ৫ সন্তানের মধ্যে এক ছে’লে পাগল হওয়ায় বাপ-দাদার পৈত্রিক ভিটা ছেড়ে স্ত্রী’ সন্তান নিয়ে অন্য জায়গায় বসবাস করে। আরেক মে’য়েকে বিয়ে দেওয়ার পর স্বামী সংসার নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে আছে। অজানা আতংকের কারণে তার পিতা-মাতার সাথে দেখা করতেও আসে না। উপার্জনহীন অভাবি সংসারে বৃদ্ধ বাবা-মা সহায় সম্বল হারিয়ে সময় মতো খেতে দিতে পারেন না অ’সুস্থ সন্তানদের।
লবা জানান, আমা’র তিন ছে’লে-মে’য়ে মানসিক ও শারীরিকভাবে অনেক ছিল। তাদের বয়স ভেদে আমি বিয়ে দিয়েছিলাম। হঠাৎ করে ১০/১২ বছর আগে পর্যায়ক্রমে তারা মানসিক ভা’রসম্যহীন হয়ে পড়ে। প্রতিবেশীদের পরাম’র্শে অনেক ক’ষ্টে তাদের চিকিৎসার জন্য পাবনা মানসিক হাসপাতা’লে ভর্তি করাই। সেখানে চিকিৎসা করে তেমন উন্নতি না হওয়ায় আবার বাসায় নিয়ে আসি। আমা’র সন্তাদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সবার সহযোগিতা চাই।
স্থানীয় আহসানগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্কাছ আলী জানান, একবার প্রতিব’ন্ধী অফিসে তাদের নাম ঠিকানা পাঠিয়েছিলাম। কোনো সুযোগসুবিধা পেয়েছে কিনা তা বলতে পারব না।
উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা ইকতেখারুল ইস’লাম জানান, এ উপজে’লায় যোগদান করেছি মাত্র চার মাস। বিষয়টি আমি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। সরেজমিন ত’দন্ত করে সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করব।













































