দ্য নিউ’ইয়র্ক টাইমস ই’স’রা’য়ে’লি বাহিনীর হা’ম’লায় গা’জায় নি’হ’ত শিশুদের ছবিসহ নাম প্রকাশ করেছে। ‘দে অয়্যার অনলি চিলন্ড্রেন’ শি’রো’না’মে গত ২৬ মে প্র’তি’বে’দ’ন প্রকাশ করা হয়।
প্র’তি’বে’দ’নটিতে বলা হয়েছে, ই’স’রা’য়ে’লের হা’ম’লায় গা’জার বিভিন্ন এলাকায় বসবাসরত ৬৬ শিশু মা’রা গেছে। প্র’তি’বে’দ’নের শুরুতে বড়া আল-ঘ’রা’ব’লি নামের এক শিশুর কথা বলা হয়েছে। ১০ মে হা’ম’লা শুরুর পাঁচ মিনিট ব্যবধানে পাঁচ বছর বয়সী শিশুটি মা’রা যায়।
ওই দিন স’ন্ধ্যা’য় মা’রা যায় ১৬ বছর বয়সী আরেক শিশু। তার নাম মু’স্ত’ফা ওবায়েদ। প্র’তি’বে’দ’নে আরও অনেক শিশুর কথা বলা হয়েছে, যারা একে-অপরের আ’ত্মী’য় কিংবা ভাইবোন। ফি’লি’স্তি’ন ও ই’স’রা’য়ে’লের ১১ দিনের যু’দ্ধে প্রায় ২৫০ জনের বেশি লোক প্রা’ণ হারিয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষ’তি’গ্র’স্ত হয়েছে গা’জায়।
যু’দ্ধবিরতির পর ই’স’রা’য়ে’ল ও হা’মাস উভয়ে নিজেদের জয় হয়েছে দাবি করেছে। সাময়িক যু’দ্ধবিরতি উ’দ’যা’প’ন করেছে দক্ষিণ ই’স’রা’য়ে’লের বাসিন্দারা। তবে আরেকটি যু’দ্ধ সময়ের ব্যাপার বলে মনে করছেন অনেকে। ধ্বং’স’য’জ্ঞ ও প্রা’ণহানি হিসাব করলে ফি’লি’স্তি’নিদের ক্ষয়ক্ষতি কয়েকগুণ বেশি হলেও পশ্চিমা মদদপুষ্ট ই’স’রা’য়ে’লি বাহিনীকে যু’দ্ধবিরতিতে বাধ্য করা হা’মাসের জন্য বিজয়ের সা’মি’ল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
জাতিসংঘের শিশু ত’হ’বি’ল ইউনিসেফ জানিয়েছে, যু’দ্ধের সময় হা’মাসের নি’য়’ন্ত্র’ণাধীন গা’জায় প্রায় এক লাখের বেশি লোক ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিল। ওই জায়গায় প্রায় ৮ লাখ লোকের পানির সং’ক’ট রয়েছে।













































