প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

খোলা মাঠেই এখন করোনা হাসপাতাল, চিকিৎসা দিচ্ছেন হাতুড়ে ডাক্তার

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

এবার রাস্তার ধারে খোলা মাঠে সারি সারি শুয়ে আছেন করো’নাভাই’রাস আ’ক্রান্ত রোগী। তাদের মা’থার উপর গাছের ডালে ঝুলছে স্যালাইনের বোতল। বিদ্যুৎ, সঠিক ওষুধ কিংবা শয্যার কোনো ব্যবস্থা নেই। সেখানে বেশিরভাগ মানুষকে মাস্কও পরতে দেখা যাচ্ছে না। আর তাদের চিকিৎসা করছেন হাতুড়ে চিকিৎসকরা।

ভা’রতের মধ্যপ্রদেশের আগর-মালওয়া জে’লায় এভাবেই চলছে করো’নাভাই’রাস আ’ক্রান্তদের চিকিৎসা। সরকারি হাসপাতা’লের করো’না ইউনিটে ভর্তি হতে নারাজ গ্রামবাসীরা আপাতত হাতুড়ে চিকিৎসকদের এই চিকিৎসাতেই ভরসা করছেন। এই খবর প্রচারিত হওয়ার পর প্রশ্নের মুখে পড়েছে সেখানকার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

আগর-মালওয়া জে’লার ধনিয়াখেড়ি গ্রামের কাছে হাইওয়ে থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে এক কমলালেবুর বাগানে এই দৃশ্য দেখা গেছে। প্লাস্টিকের শিট ও কার্ডবোর্ডে শুয়ে আছেন রোগীরা। গাছে স্যালাইনের বোতল ঝুলছে। সেখানো সামাজিক দূরত্ব মানার বালাই নেই, এমনকি কাউকে মাস্কও পরতে দেখা যায়নি।

আশপাশের ১০টি গ্রামের মানুষ করো’না আ’ক্রান্ত হলে চিকিৎসার জন্য এখানেই আসছেন। অথচ জায়গাটি মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপাল থেকে মাত্র ২০০ কিলোমিটার দূরে।

চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতা’লে যেতে ভ’য় পাচ্ছেন বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা বলছেন, সরকারি হাসপাতা’লের করো’না ওয়ার্ডের অব্যবস্থাপনায় অনেকের মৃ’ত্যু হচ্ছে। ফলে হাসপাতাল যেতে নিরাপদ বোধ করছেন না তারা।

এলাকার ব্লক মেডিকেল অফিসার মণীশ কুরিল জানিয়েছেন, সরকারকে অবিলম্বে এসব হাতুড়ে চিকিৎসকদের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত। সবাইকে অনুরোধ করছি, ঠান্ডা লাগলে কিংবা কাশি হলে যথাযথ কোনো চিকিৎসকের কাছে যান এবং করো’না পরীক্ষা করান। তা না হলে খুব দেরি হয়ে যাবে।

চিফ মেডিকেল অফিসার ও স্বাস্থ্য কর্মক’র্তা ডক্টর সমন্দর সিংহ মালব্য ঘটনাস্থলে একটি ত’দন্তকারী দল পাঠান। কিন্তু সেখানে গিয়ে তারা দেখেতে পান, চিকিৎসক বা রোগী কারোরই কোনো চিহ্ন নেই। সেখানে কিছু খালি ওষুধের বোতল পড়ে রয়েছ। তবে যে বাগানে এই চিকিৎসা চলছিল, সেটার মালিক হাতুড়ে চিকিৎসকের পরিচয় জানা গেছে। তিনিসহ বাকিদের নামে এখন পর্যন্ত চারটি অ’ভিযোগ জমা পড়েছে।