প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

কো’রআনের হা’ফেজ হয়ে বি”শ্বকে তাক লা’গালেন এই ত’রুণী!

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

এবার পবিত্র কোরআন হেফজ করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দি’য়ে’ছে’ন জর্দানের রাওয়ান দাওয়াক।সা’ধারণত প্রতি বছর অসংখ্য মু’স’লিম শিশু ও কিশোর-কিশোরী পবিত্র কো’র’আ’ন হেফজ সম্পন্ন করেন।তবে ডাউন সিনড্রোমে

আক্রান্ত রোগী হিসেবে বিশ্বে তিনিই প্রথম বলে মনে করা হয়।ডা’উন সিনড্রোম এ’ক’টি জে’নে’টি’ক বা জিনগত স’ম’স্যা।এর কারণে মানু’ষের মধ্যে এর কারণে মানুষের মধ্যে মৃদু বা মা’ঝা’রি স্তরের বু’দ্ধি’বৃত্তিক সমস্যা,বেড়ে

ওঠায় বি’লম্ব বা অন্য কিছু শারীরিক বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। ​ব’র্ত’মান বিশ্বে এ রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা নিতান্ত কম নয়।বিশ্বস্বাস্থ্য সং’স্থা’র পরিসংখ্যান মতে,প্রতি বছর জ’ন্ম’গ্রহণকারী এক হাজার শিশুর মধ্যে একজন ডাউন

সি’ন’ড্রোম নিয়ে জন্মায়।এ রোগে আক্রান্ত শিশদের খুবই কম সংখ্যক উ’চ্চ’মা’ধ্যমি’ক পর্যন্ত পড়াশোনা অব্যাহত রাখতে পারেন।অধিকাংশ মাধ্যমিকে এসে আর পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন না। তবে নিজের সব বাঁধা

পেরিয়ে মায়ের তত্ত্বাবধানে রাওয়ান পুরো কোরআনহেফজ করে নিজের যো’গ্যতার প্রমাণ দেন।সম্প্রতি তুরস্ক ভিত্তিক সং’বা’দ মাধ্যম আনাদোলু এজেন্সিকে এক সাক্ষাতকারে কো’র’আ’ন হে’ফ’জ করতে পেরে রাও’য়ান দাওয়াক

(২৬) নিজের আনন্দ প্রকাশ ক’রে’ন।নিজের অ’নু’ভূতি জানান তিনি ব’লেন,পবিত্র কো’রআনই আমার জীবনের সবচেয়ে মূ”ল্য’বান বস্তু।আমি প্রতিদিন তিনবার কোরআন পড়ি।পুরো জী’ব’ন তেলাওয়াত করে তা মু’খ’স্থ রাখব।

রাওয়ানের মা আওয়াতেফ জাবির বলেন,আমি রাওয়ানের গ’র্বি’ত মা।ছো’ট’বে’লা’য় তার বাবা মারা যায়।আমার চারজন মেয়ে ও একজন ছেলে।রাওয়ান আ’মাদের পুরো পরিবারে জন্য মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে

এ’সে’ছে’ন।আজ তাঁকে নিয়ে আ’ম’রা সবাই গর্বিত ও আনন্দিত।রাওয়ানের মা আরো জানা’ন,রাওয়ানের জন্মের পর অন্য মায়েদের মতো আমি খুবই দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই। কার’ণ সে ডাউন সি’নড্রোম আক্রান্ত ছিল।কিন্তু ততক্ষণে

তাঁর প্রতি গ’ভী’র ভা’লো’বা’সা তৈরি হয়।তখনই আমি প্র’তি’জ্ঞা করি,আমি তাঁকে প”বি’ত্র কো’রআন হেফজ করাব।মহান আল্লাহ তাঁর সঙ্গে আ’মা’কে’ও কোরআনের হাফেজ হওয়ার তাওফিক দিয়েছেন।তিনি ব’লে’ন,২০১৪

সাল পর্যন্ত সে একটি মাদরাসায় সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে। বি’শু”দ্ধ ভাষায় কথা ব”লা’য় পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া তাঁর জন্য স’হ”জ ছিল।কিন্তু এ’র’পর সে আর এখানে পড়তে চা’য়’নি।নি’জে’র আগ্রহে সে তাজবিদ(কোরআন

পাঠের নি’য়’ম-কানুন সংক্রান্ত বি’ষ’য়)পড়া শুরু করে। আ’মা’কে সঙ্গে নিয়ে সে আরেকটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়।তিনি আরো ব’লে’ন,রাওয়ান খুবই মে’ধা:বী মেয়ে।তাঁর প্রখর বু’দ্ধি’মত্তা উপলব্ধি করে প্রথমে আমি তাঁকে ছোট

ছোট সুরা মুখস্থ করাতে থাকি।খুব দ্রু’ত’ই সে তা মুখস্থ করত।অতঃপর ছয় ব’ছ’র বয়সে তাকে মাদরাসায় ভর্তি ক’রা’ই।তিনি ব’লে’ন,রাওয়ানের মুখ’স্থের নিয়মও ভিন্ন ধরনের।সে লিখে লিখে মু’খস্থ করে।দেড় বছরে সে পবিত্র

কো’র’আনের সুরা বাকারার অংশটুকু হেফজ করে।নির্দিষ্ট সময় পর অনু’ষ্ঠিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে মহান আল্লাহর প্রতি কৃ’তজ্ঞতা জানিয়ে সেজদায় পড়ি।আওয়াতেফ আরো জা’নান,হেফজকালে রাওয়ান প্রায় সময় নববধুর পোশাক

পরার আগ্রহের কথা জা’না’ত।আমি তাকে জা’ন্নাতে এ পো’শাক পরার কথা বলতাম।কিন্তু তাঁর কোরআন হেফজ শেষ হলে স’ম্মা’ন’নার দিন আমি তাকে নববধুর পরিয়ে তার আ’গ্র’হ পূ’র’ণ করি।