রবিউল হোসেন রবি, চট্টগ্রাম থেকে : কর্ণফুলী নদীতে এনসিসি এমটি ই’রামতি নামে একটি তেলবাহী জাহাজে হঠাৎ বি’স্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ দুর্ঘ’টনায় ঘটনাস্থলেই একজন টেন্ডল একজন লস্কর মা’রা গেছেন এবং অ’গ্নিদ’গ্ধ হয়েছেন আরও একজন। এদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশ’ঙ্কাজনক।
বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে বন্দরের ৯ নম্বর জেটির বিপরীত পাশে এ অ’গ্নিকা’ণ্ডের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় নি’হতরা হলেন— ফেনীর জে’লার বাসিন্দা জাহাজের লস্কর রুহুল আমিন (৪৫) ও নোয়াখালীর জে’লার বাসিন্দা টেন্ডল নিজাম উদ্দীন (৪০)।
অ’গ্নিকা’ণ্ডের ঘটনায় আ’হতরা হলেন— আবু সুফিয়ান (৪৭), সাহাবুদ্দিন (৬০) ও মনির হোসেন (৩৪)।
এদের মধ্যে আবু সুফিয়ান ও সাহাবুদ্দিনের অবস্থা আশ’ঙ্কাজনক। তবে দ’গ্ধ মনির হোসেনের অবস্থা অনেকটাই আশ’ঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চ’মেক পু’লিশ ফাঁড়ির এএসআই শীলব্রত বড়ুয়া।
বন্দর সূত্র জানায়, ৬০ মিটার লম্বা ও সাড়ে ৩ মিটার ড্রাফটের (জাহাজের পানির নিচের অংশ) ট্যাংকারটি ১২০০ টন পণ্য নিয়ে আশুগঞ্জ থেকে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে সুপার পেট্রোক্যামিক্যাল জেটিতে আসে। জাহাজটির এজেন্ট ঈগল রিভা’র ট্রান্সপোর্ট। সকালে ট্যাংকারটির ইঞ্জিন রুমে আ’গুন ধরে গেলে ঘটনাস্থলে ২ জন মা’রা যান। তাদের ম’রদেহ উ’দ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
চট্টগ্রামের ভা’রপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক আজিজুল ইস’লাম বলেন, ‘আ’গুন লাগার খবর পেয়ে বন্দরের পাইলট আবুল খায়েরের নেতৃত্বে টাগবোট কা’ণ্ডারী ১, কা’ণ্ডারী ১০ পানি এবং ফোম ছিটিয়ে আ’গুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অ’গ্নিনির্বাপণ ও উ’দ্ধার কাজে যোগ দেয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স।’
চ’মেক পু’লিশ ফাঁড়ির এএসআই শীলব্রত বড়ুয়া বলেন, অ’গ্নিদ’গ্ধে আ’হত অবস্থায় সকাল ৯টার দিকে তিনজনকে দায়িত্বরত চিকিৎসকর চ’মেক হাসপাতা’লের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করেছে। তিনজনের মধ্যে আবু সুফিয়ান এবং সাহাবুদ্দিনের অবস্থা আশ’ঙ্কাজনক।’













































