করো’নাভাই’রাসের সংক্রমণ রোধে ঈদ কেনাকা’টায় শপিংমল ও দোকানপাট বেলা ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।বুধবার চলমান লকডাউনের সময়সীমা ১৬ পর্যন্ত বাড়িয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দোকানপাট ও শপিংমলগুলো পূর্বের মত সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। সকল দোকানপাট ও শপিংমলে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দোকানপাট ও শপিংমল তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হবে।এতে বলা হয়, জে’লা থেকে আরেক জে’লায় গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে। শুধু একই জে’লার মধ্যে গণপরিবহন চলবে। যাত্রীবাহী নৌযান ও ট্রেন আগের মতো বন্ধ থাকবে। নতুন এই বিধিনিষেধ বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে।
দেশে করো’নার দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকাতে প্রথম দফায় গত ৫ এপ্রিল এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ জারি করা হয়। ওই বিধিনিষেধের ধারাবাহিকতা চলে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ১৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে লকডাউন শুরু হয়, যা চলে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। সেটি পরে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এরপর আবার তা ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়, যা আবার বাড়ল।
প্রজ্ঞাপনে যেসব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো হলো-
১. দোকানপাট ও শপিংমল আগের মতো সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। সব দোকানপাট ও শপিংমলে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দোকানপাট ও শপিংমল তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হবে।
২. আন্তঃজে’লা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তবে আগামী ৫ মের পর যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সাপেক্ষে জে’লার অভ্যন্তরে গণপরিবহন চলাচল করতে পারবে। ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল আগের মতোই বন্ধ থাকবে।
৩. মাস্ক ব্যবহার শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে আদেশ অমান্যকারীদের বি’রুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৪. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধ’র্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে।
৫. কোভিড-১৯ প্রতিরোধে সিটি কর্পোরেশন, জে’লা সদর, পৌরসভা এলাকাগুলোতে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা মাইকিংসহ ব্যাপক প্রচার প্রচারণার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
৬. সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মক’র্তা-কর্মচারীদের ঈদের ছুটিতে আবশ্যিকভাবে স্ব স্ব কর্মস্থলে অবস্থান করতে হবে।













































