প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

এবার এরদোগানের ড্রো’ন নিয়ে বিশ্বকে বাজিমাত !

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

জার্মানিতে ড্রো’ন হা’ম’লা হলে দে’শটির সেনা’বাহিনী সেই ড্রো’ন হা’ম’লা ঠে’কাতে সক্ষম হবে না। জার্মানি ভিত্তিক একটি থি’ঙ্ক ট্যা’ঙ্ক ম’নুষ্যবিহীন ড্রো’ন বাজা’র পর্যালোচনা এবং গত বছর না’গো’র্নো-কা’রবা’খ যু’দ্ধে ড্রো’নে’র ভূমিকা পর্যালোচনা করে এমন মন্তব্য করেছে।

জার্মানির প্রতিরক্ষা ইনস্টিটিউটের আধুনিক যু’দ্ধ’বিদ্যা বি’শেষজ্ঞ লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মাইকেল কার্ল বলেন, মা’রা’ত্ম’ক’ভাবে বলতে গেলে, যদি জার্মান সেনাদের আজা’রবাই’জানের ওই যু’দ্ধ কর’তে হ’তো, তাহলে তারা দাঁড়া’তেই পারতো না।

তিনি বলেন, আজা’রবাই’জান যু’দ্ধে যে অ’স্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, এমন ক’ম্বাট ড্রো’ন এবং কা’মিকা’যি ড্রো’ন হা’ম’লা হলে জা’র্মানির সেনা’বাহিনী কার্যকর প্রতিরোধ গড়তে সক্ষম হবো না। এ সময় তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষার ঘা’ট’তি আ’মাদের স’র্বনা’শের কারণ হবে।

গত বছর না’গো’র্নো-কা’রবা’খ নিয়ে আ’র্মে’নিয়া ও আ’জা’রবাই’জান ৪৩ দিনে’র যু’দ্ধে জ’ড়ায়। এই যু’দ্ধে আজা’রবাই’জান আর্মে’নি’য়ার কাছ থেকে অনেক অঞ্চ’ল জয় করতে সক্ষম হয়। এর কৃতি’ত্ব বড় অংশে ছি- তুরস্ক এবং ইসরা’ইলে’র তৈরি ড্রো’নে’র। আ’র্মেনি’য়ার সঙ্গে লড়া’ইয়ে আ’জারবাই’জান তুর’স্কের বেয়ার’আকতার ড্রো’ন ব্যবহার করে।

জার্মা’নির ওই সম’রবিদ বলেন, আধুনিক যু’দ্ধে জি’ততে হলে জার্মান সেনাদের প্র’যুক্তি প্রয়োজন। জার্মান বাহিনীতে প্রযুক্তি থাকলেও সেসব প্রযুক্তি তারা ব্যবহার করে না। তিনি আরও বলেন, কামিকাযি হল একধরনের আ’ত্ম’ঘা’তী বিমান- যেগুলো বি’স্ফো’রক অ’স্ত্রে স’জ্জিত থাকে এবং ল’ক্ষ্যবস্তুর ওপর আ’ঘা’ত করে নিজেই বি’স্ফো’রিত হয়ে যায়।

এটা ড্রো’ন প্রযুক্তির নিখুঁত ‍উন্নতি। স’ন্ত্রা’সীদের কা’ছে ব্যবসা’য়িক এবং যু’দ্ধে ব্যব’হৃত ড্রো’ন সহ’জলভ্য রয়েছে সতর্ক করে তিনি বলেন, শুধু আমাদের সেনা’বাহিনীকে রক্ষা করলে হবেনা, বেসামরিক নাগ’রিকদেরও রক্ষার কথাও ভাবতে হবে।

আরও পড়ুন: কানাডায় মুসলিম পরিবারের ওপর হা’ম’লার ঘটনায় ‘আ’ত’ঙ্কি’ত’ বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধান’মন্ত্রী “জাস্টিন ট্রুডো”। সোমবার এক টুইট বা’র্তা’য় এই কথা জানান তিনি।

এর আগে রোববার সন্ধ্যায় ট’রে’ন্টো থেকে ১২৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমের শহর ল’ন্ড’নে রাস্তা পারাপারের জন্য অপেক্ষার সময় পা’কি’স্তা’নি বংশদ্ভুত এক কানাডিয়ান মুসলিম পরিবারকে প’রি’ক’ল্পি’তভাবে গা’ড়ি’চা’পা দেয় এক গাড়িচালক। এই ঘটনায় ওই পরিবারের ৭৭ ও ৪৪ বছর বয়সী দুই নারী, ৪৬ বছর বয়সী এক পুরুষ ও ১৫ বছর বয়সী এক কি’শো’রী নি’হ’ত হয়েছেন। এছাড়া হা’ম’লায় নয় বছর বয়সী এক বালক মা’রা’ত্ম’কভাবে আ’হ’ত হয়েছে। আ’হ‹ত বালককে হা’স’পা’তা’লে ভর্তি করা হয়েছে।

টুইট বা’র্তা’য় “জাস্টিন ট্রুডো” বলেন, ‘অন্টারিওর লন্ডনের খবরে আমি আ’ত’ঙ্কি’ত। গতকালের ঘৃ’ণা’মূ’ল’ক কর্মকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিদের প্রিয়জনদের পাশে আম’রা রয়েছি। আমরা হা’স’পা’তা’লে থাকা শিশুটির সাথে রয়েছি- তোমার জন্য আমাদের স’ম’বে’দ’না এবং তোমার সুস্থতাই আমাদের কা’ম’না।’

ট্রুডো আরো বলেন, ‘ল’ন্ড’ন এবং সারাদেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি জানাচ্ছি, আম’রা আপনাদের পাশেই রয়েছি। ইসলামো-ফো’বি’য়ার স্থান আমাদের কোনো স’ম্প্র’দা’য়ের কাছে নেই। এই ঘৃ’ণা ছলনাময় ও জ’ঘ’ন্য এবং তা অবশ্যই বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।’