প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

এটা আমার জন্য বিশাল বড় সারপ্রাইজ ছিলো: সাবিলা নূর

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

চিরচেনা রূপের বাইরে এবার ঈদে একটু ব্যতিক্রমভাবেই দেখা গিয়েছে সময়ের জনপ্রিয় মডেল ও অ’ভিনেত্রী সাবিলা নূরকে। চরিত্রের বৈচিত্রতায় হয়েছেন প্রশংসিত ও আ’লোচিত। দীর্ঘ ৭ বছরের ক্যারিয়ারে এতোটাও আ’লোচিত হননি তিনি।

যার কারণে এবার একটু বেশিই উচ্ছ্বসিত এ নায়িকা। দর্শকদের কাছ থেকে পাওয়া এ ভালোবাসাটা ধরে রাখতে চান তিনি।
আজ এ অ’ভিনেত্রীর জন্ম’দিন। ঘড়ির কাঁ’টা বারোটা ছোঁয়ার আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহকর্মী থেকে শুরু করে বন্ধু-বান্ধব ও অনুরাগীদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি। প্রতিবার জন্ম’দিনে ঘটা করে আয়োজন করলেও এবার তা হচ্ছেনা বলেই জানালেন সাবিলা।

সাবিলা নূর বলেন, প্রতিবছরই বেশ বড় আয়োজন করে আমা’র জন্ম’দিন পালন করা হয় কিন্তু এবার তা করছি না। কারণে কোভিডের এমন সময়ে সবাইকে নিয়ে এমন কিছু না করাটাই বেটার এখন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এরকম অনেক কিছুই করা যাবে। এই সময়টাতে খুব মিস করি আমা’র ভাইয়া ও আপুকে। তারা দেশের বাইরে থাকার কারণে এবার দেখা হয়নি। প্রতিবার তারাই বেশি আনন্দ করতো।

তিনি আরও বলেন, রাত বারোটার আগে থেকেই শুভেচ্ছা পাওয়া শুরু করলেও এখন পর্যন্ত কোনো কেক কাটিনি। ৫টা কেক জমা হয়েছে, হয়তো আরও হবে। সন্ধ্যার পর পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে সবগুলো কেক কাটবো। জন্ম’দিনে যারা যারা মনে করে আমাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাদের সবার প্রতি আমা’র অফুরন্ত ভালোবাসা।

সাবিলার জন্ম’দিনে তার মা প্রতিবারই মে’য়ের পছন্দের খাবার রান্না করেন। এবারও তাই করেছেন। সাবিলার বিশেষ পছন্দের খাবার মেজবানি থেকে শুরু করে অনেক কিছুই রান্না করেছেন এবার। উপহারও পেয়েছেন প্রিয়জনদের কাছ থেকে। স্বামীর কাছ থেকে পেয়েছেন ভ্যানিটি সেট এবং শাশুড়ির কাছ থেকে পেয়েছেন পোশাক। এতেই সন্তষ্ট মিষ্টি মে’য়ে সাবিলা।তিনি বলেন, অনেকের কাছ থেকেই অনেক কিছুই পেয়েছি আমি। আমি অল্পতেই সন্তষ্ট থাকা মে’য়ে। জন্ম’দিনে পাওয়া উপহারগুলো আমা’র কাছে অবশ্যই অনেক বেশি মূল্যবান। আর স্পেশালিটি যদি বলি তাহলে বলবো, দর্শকদের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসাটা।

বিশেষ কোনো স্মৃ’তি জানাতে গিয়ে এ তারকা বলেন, আমি যখন খুব ছোট তখন আমা’র মা নিজে কেক বানাতেন আমা’র জন্য। সেটা খুব মিস করি। এছাড়া আরেকটি বিশেষ মুহূর্ত; যেটা আমি কখনোই ভুলবো না। ২০১৯ সালের জন্ম’দিনটা ছিলো আমা’র জন্য সেরা। স্কুল জীবন শেষ করার পর দেশের বাইরে চলে যাওয়া এবং ব্যস্ততার কারণে আমা’র বন্ধুদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিলো না অনেক বছর।

বলতে গেলে আমি তাদেরকে হারিয়েই ফেলেছিলাম। ওই জন্ম’দিনে আমা’র স্কুল জীবনের বন্ধুদের খুঁজে বের করে আমা’র সামনে নিয়ে এসেছিলো নেহাল। এটা আমা’র জন্য বিশাল বড় সারপ্রাইজ ছিলো। আমা’র হারিয়ে যাওয়া ১২ জন বন্ধুদের খুঁজে পেয়েছি আমি। সেদিন এতোটা খুশি হয়েছিলাম যা বলার বাহিরে। সেই থেকে এখন নিয়মিতই বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। যদিও ব্যস্ততার কারণে খুব একটা হয়ে ওঠে না, তারপরও চেষ্টা করি।

বন্ধুদের কাছে সাবিলা কেমন, এমন প্রশ্নে তার উত্তর, আমা’র বন্ধুদের কাছে আমি আগে যেমন ছিলাম, এখনও তেমনই। কোনো পরিবর্তন নেই। খুব বেশি দুষ্টুমি করতাম, মজা করতাম, আড্ডা দিতাম; এখনো তাই করি। আমা’র একটা বেস্ট ফ্রেন্ড হচ্ছে রাইয়ান, ক্লাস টু থেকে আম’রা ভালো বন্ধু। রাইয়ানকে আমি ছোটবেলা থেকেই ‘বাল্লু ’ বলে ডাকি। আমা’র কাজ নিয়ে সবসময় আমাকে উৎসাহিত করে সে। ব্যবহার বলি বা সবদিক থেকেই আগের মতোই আছি সবাই। কিন্তু আগের মতো করে এখন খুব বেশি একটা সময় দেওয়া হয় না।