ইয়াসের প্রভাবে উত্তাল রয়েছে বঙ্গোপ’সাগর। জোয়ারের পানি স্বাভা’বিকের চেয়ে কয়েক ফুট বেশি উচ্চতায় উপকূলে আছড়ে পড়ছে।মঙ্গলবার সকাল থেকে বাগেরহাটের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন।
গু’ড়িগু’ড়ি বৃ’ষ্টিও পড়ছে। শরণখোলার বলেশ্বর, মোরেলগঞ্জের পানগু’ছি, মোংলার পশুর, বাগেরহাটের ভৈরব,দড়াটানাসহ সব নদীর পানি স্বাভা’বিক জোয়ারের চেয়ে এক থেকে দেড় ফুট বেড়েছে। জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে মোরেলগঞ্জ উপজে’লার পৌর এলাকাসহ সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম।
মোরেলগঞ্জ উপজে’লার পানগু’ছি নদীর তীরে থাকা শানকিভাঙ্গা ও বদনী ভাঙ্গা গ্রামে বেড়িবাঁধ না থাকায় আতঙ্কিত বাসি’ন্দারা। ঝড়ের প্রভাব শুরুর আগেই তারা আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
মোরেলগঞ্জ সদরের গাবতলা গ্রামের সালেহা বেগম বলেন, সকাল থাইক্কা গাঙ্গের পানি বাড়তেছে। সহাল ১০টার দিকে পানিতে মোগো বাড়ি-ঘর তলাই গেছে।
বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিশ্বজিৎ বৌ’দ্ধ বলেন, পূর্ণিমা ও ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কারণে উপকূলীয় এলাকায় নদী-খালের পানি বৃ’দ্ধি পেয়েছে। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ভাটিতে এ পানি আবার নেমে যাব’ে।
সাগর উত্তাল হয়ে ওঠায় এবং ঝড়ো বাতাস বয়ে যাওয়ায় সুন্দরবনের বিভিন্ন সাইক্লোন শেল্টারসহ কোস্টগার্ডের ক্যাম্পগু’লোতে আশ্রয় নিয়েছে বনবিভাগের কর্মক’র্তা-কর্মচারীরা।
নতুন করে সিগনাল না বাড়ায় এবং আবহাওয়া এখনও বেশি খা’রাপ না হওয়ায় মোংলা বন্দরে অবস্থানরত ১১টি বিদেশি জাহাজের পণ্য ওঠানামা ও পরিবহণের কাজ স্বাভা’বিক রয়েছে।













































