ইনিস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের এক নতুন প্র’তি’বে’দ’ন দ্য জে’রু’জা’লে’ম পোস্ট প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল, কয়েকটি দেশের অ’ভি’নে’তাদের মধ্যে যারা সম্ভবত স্থিতিশীলতার পক্ষে ই’স’রা’য়ে’লকে ইরান থেকে বাঁ’চাতে পারে চীন।
প্র’তি’বে’দ’নে বলা হয়েছে, আইএনএসএসের পক্ষে লিড লেখক হিসাবে ডাঃ কেভজন লিমের সাথে চীন নিজেকে “আরও দায়বদ্ধ বৈ’শ্বি’ক শক্তি” হিসাবে চিত্রিত করার জন্য ক’ঠো’র প্রচেষ্টা শুরু করেছে।
এই আলোকে এবং ইসলামিক প্র’জা’ত’ন্ত্র ইরানের সাথে বেইজিংয়ের উপর গভীর নির্ভরতার কারণে এটি হতে পারে স্থি’র’তার পক্ষে মধ্য প্রাচ্যের ভা’র’সা‹ম্য পরিবর্তন করতে সক্ষম হলে খুব কম অ’ভি’নে’তাদের মধ্যে একজনই।
ইরানের সাথে তার স’ম্প’র্ক বি’চ্ছি’ন্ন বা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে সরাসরি চীনকে প্র’রো’চি’ত করা অবাস্তব, এবং সম্ভবত প্রতিক্রিয়াশীলও। এ জাতীয় কৌশলটি একটি বড় শক্তি হিসাবে বি’বে’চি’ত হবে, যেটি সমস্ত আঞ্চলিক অ’ভি’নে’তাদের সাথে সুস’ম্প’র্ক বজায় রাখার পক্ষে, এবং পক্ষ নেওয়ার ক্ষেত্রে গর্বিত।
প্র’তি’বে’দ’নে আব্রাহাম চুক্তি অনুসারে তেহরানকে নি’য়’ন্ত্র’ণে চীনকে লাভবান করার নতুন সুযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ই’স’রা’য়ে’লকে ভর্তি করা হলে, ই’হু’দি রাষ্ট্র ইরানের সাথে একই কূটনৈতিক স্থান দখল করবে।
আইএনএসএস অনুমান করে যে “এই জা’তী’য় ফোরামে আপেক্ষিক সা’ন্নি’ধ্য চীন (বা রাশিয়া) এর মতো তৃতীয় পক্ষের ম’ধ্য’স্থ’তার যো’গা’যো‹গের সম্ভাবনার সুযোগ দেয়,” তবে এই ধরণের যো’গা’যো’গগুলির অগ্রগতি সম্ভবত খুব সীমাবদ্ধ থাকবে।
এতে বলা হয়েছে, ইরান ও ই’স’রা’য়ে’ল উভয় দেশেই নির্মাণ ও অবকাঠামোগত প্র’ক’ল্পে চীনা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন উ’দ্যো’গ এবং তাদের স’হা’য়‹ক সংস্থাগুলির উপস্থিতি যত্ন সহকারে চিকিত্সা এবং নি’রো’ধ’ক প্রয়োজন এবং জে’রু’জা’লে’মকে অবশ্যই বেইজিং এবং তেহরানের মধ্যে তথ্য-ভাগাভাগি করে নিতে হবে।
আইএনএসএসের মতে, চীন রেলওয়ে টা’নে’ল গ্রুপ, যা তেল আবিবের হালকা রেল নে’ট’ও’য়া’র্কের লাল রেখাংশের বেশিরভাগ অংশটি একটি যৌথ ক’ন’সো’র্টি’য়া’মে ৫১ শতাংশ শেয়ার ধারণ করে, এটি সিআরইসি-র একটি স’হা’য়’ক সংস্থা। তবে, ই’স’রা’য়ে’লের পক্ষে চীন-ইরানের স’ম্প’র্কের শক্তি এবং সীমাবদ্ধতা স্বী’কৃ’তি দেওয়া অ’গ্র’স’র হওয়ার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ হবে।













































