প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

ইউরোপের সবচেয়ে বড় মসজিদ নির্মাণ করেছেন দু’জন নারী

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

চামলিজা ম’সজিদ, এটি তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুলে অবস্থিত। দেশটির বৃহত্তম অন্যতম ম’সজিদ এটি। এই ম’সজিদে একসঙ্গে ৬৩ হাজার মানুষ নামাজ আদায় করতে পারে। এতে একটি জাদুঘর, আর্ট গেলারি, গ্রন্থাগার,

কনফারেন্স হল ও ভূগর্ভস্থ পার্কিংও রয়েছে। পৃথিবীতে এটি এমন এক প্রসিদ্ধ ম’সজিদ যা দুইজন মহিলা স্থপতি বাহার মজরাক এবং হায়রিয় গাল তোতু নকশা করেছিলেন।ইস্তাম্বুলের দুটি অংশ, একটি ইউরোপ এবং অন্যটি এশিয়া। চামলিজা ম’সজিদটি নির্মাণ করেছেন সুলতান এরদোয়ান (প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান)। এটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় ম’সজিদ। ২০১৯ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয় ম’সজিদটির। এখানে ৩৫০০ গাড়ি পার্কিংয়েরও ব্যবস্থা রয়েছে।

ম’সজিদটিতে ৬টি মিনার রয়েছে। ৬টি মিনার নির্মাণের পেছনেও লক্ষ্য রয়েছে। ইস’লামের যে ভিত্তি রয়েছে যেমন- আমানতু বিল্লাহি, ওয়া মালায়িকাতিহি, ওয়া কুতুবিহি, ওয়া রাসুলিহি, ওয়াল ইয়াওমিল আখিরি, ওয়াল কদরি খয়রিহি ওয়া শাররিহি মিনাল্লাহি তাআলা, ওয়াল বাআছি বাদাল মাউত।’

(বাংলা অর্থ : আমি বিশ্বা’স আনলাম আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাগণের প্রতি, তাঁর কিতাবসমূহের প্রতি, তাঁর রাসুলগণের প্রতি, কিয়ামতের দিনের প্রতি; তাকদিরের প্রতি, ভাগ্যের ভালো-মন্দ আল্লাহর পক্ষ থেকে; মৃ’ত্যুর পর পুনরুত্থানের প্রতি।)

ম’সজিদটির একটি চিহ্ন দেশটির স্বাধীনতার কথা মনে করিয়ে দেয়। ১০৭১ সনে বাইজেন্টাইন সম্রাটদের থেকে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন তুরস্ক, সেটাকে কেন্দ্র করে ম’সজিদটির মিনার করা হয়েছে ১০৭১ ফুট উঁচুর। বড় চারটি মিনারই ১০৭১ ফুট উঁচু। ভ্রমণকারীরা অনেকে ইস্তাম্বুল শহরকে পৃথিবীর রানি বলে থাকেন। কোথাও পাহাড়, কোথাও সাগর, কোথাও সাগর-পাহাড় দুটোই রয়েছে কিন্তু সবুজ মনোরম দৃশ্য নেই- এমনই চিত্র শহরটির।