প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

আ’হত হা’মাস কর্মী’কে হা’সপাতালে দেখতে গিয়ে কেটে ফেলা পা’য়ের স্থানে চুমু খে’লেন “ইসমাইল হানিয়া”

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

দ”খ’ল’দা’র ইসরাইলের হাম”লায় গাজায় আহত হামাস ক’র্মী’কে হাসপাতালে দে’খতে গিয়ে কেটে ফেলা পায়ের ক্ষ’ত’স্থানে এ’ভাবেই চুমু খেলেন দলীয় প্রধান ইসমাইল হানিয়া।নেতা কেমন হতে হয় বিশ্ববাসীকে শিখালেন হামাস

প্র’ধা’ন।আল্লাহ যে আ’মা’দে’র বি’জয়ের জন্যে প্রস্তুত করছেন,এ কথা শুনলে ভ্রু কুঁচকায় অনেকেই।যারা দ্বীনের জন্যে জী’ব’ন বাজি লা”গাতে চায়,নৈরাশ্যবাদীরা তাদের পে’ছ’ন থেকে টেনে ধরে রাখে।এরা আসলে মন-মগজে
পাশ্চাত্যের গোলাম হয়ে গেছে।

ন’ড়া’ই’লে ৮৫ বছর বয়সী এক মাকে বাড়ি থেকে বের করে দি’য়ে’ছে’ন তার সন্তান ও পুত্রবধূ।ঘ’ট’নাটি দেড় ব’ছ’র আগের।এ ঘ’ট’না’র পর ওই বৃদ্ধা মা এ বাড়ি ও বা’ড়ি’তে অবস্থানের পর সর্বশেষ গত ১২ দিন আগে

ব’রে’ণ্য চিত্রশিল্পী এস.এম সুল’তা’ন কম’প্লেক্স সংলগ্ন সুলতান ঘাটের উপর রাখা শিল্পী সুলতানের নৌকার নিচে মা’ন’বেতন জীবন- যাপন করছেন।সেখানে স্থা’নী’য়দের দেয়া খা’বারে চ’ল’ছে তার জী’বন।জানা গেছে,নড়াইল

শহ’রে’র কুড়িগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মৃত কালিপদ কুন্ডুর স্ত্রী মায়া রাণী কুন্ডু( ৮৫ )।তার দুই ছেলে হ’লে’ন,দেব কুণ্ডু(৫০)এবং উত্তম কুণ্ডু(৪০)।ক’য়েক বছর আগে উত্তম বিয়ে করে অন্য জা’য়’গা’য় বসবাস করায় আরেক ভাই

ব্যবসায়ী মাকে দেখভাল কর’ছিলেন।তিনি শহরের রূপগঞ্জ বা’জা’রে’র বাঁ’ধাঘাট এলাকার বা’সিন্দা।এর মধ্যে গত দেড় ব’ছ’রে’রও বেশি সময় ধরে দেব তার মায়েরসঙ্গে দু’র্ব্য’ব’হা’র শুরু করে।পা’শা’পাশি তার খেতে-প’রতে

এবং থা’ক’তে দিতে অপারগতা প্রকাশ করে বাড়ি থেকে বের ক’রে দেয়।এ সময় স্থা’নীয় অমিত সাহা নামে এক ব্যক্তি মায়া রাণী কুন্ডু নামের ওই বৃদ্ধা মাকে কয়েক মাস তার নিজ বা’ড়িতে রাখেন।মায়া রাণী কুণ্ডু কা”ন্না’জড়িত

কণ্ঠে ব’লে’ন,দীর্ঘ দেড় ব’ছ’রের বেশি সময় ছেলে ও ছে’লে’র বউ তাকে খেতে প’র’তে ও থাকতে দেয় না ।তার ৫ শতকের এক’টি জা’য়’গা ছিল।সেই জা’য়’গা কয়েক লাখ টা’কায় বিক্রি করেছে বড় ছেলে দেব কুন্ডু।

এর’পর থেকে তারা খুব দুর্ব্যবহার করে আ’মা’কে বাড়ি থেকে বের করে দি’য়ে’ছে।কি’ছু’দিন এ’খানে ওখানে ছি’লা’ম।এখন আর কো’থা’ও যাওয়ার জা’য়গা নেই । স্থানীয়রা যা খেতে দেয় তাই খাই।এ ব্যাপারে মায়া রাণীর

ছেলে দেব কুন্ডু বলেন,বউয়ের সঙ্গে বনিবনা হয় না তাই চলে গেছে।এ বিষয়ে নড়াইলের জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা ব’লে’ন,বিষয়টি স’ম্পর্কে আ’মাদের জানা নেই । আ’ম’রা এখনি ব্য’ব’স্থা নিচ্ছি ।