সাংবাদিক রোজিনা ইস’লামকে হে’নস্তার ঘটনায় আলোচনায় আসা’স্বাস্থ্য বিভাগের অ’তিরিক্ত সচিব (বিশ্ব স্বাস্থ্য অনু বিভাগ) কাজী জেবুন্নেছা বেগমকে নিয়ে সংবাদ ঠেকাতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। গত বুধবার (১৯ মে) এ চিঠি দেওয়া হয়।
মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ১৭ মে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইস’লামকে নিয়ে ঘটে যাওয়া অনভিপ্রেত ঘটনায় এ বিভাগে কর্ম’রত অ’তিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেসা বেগমের নাম উল্লেখ করে যে ছবি/ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে সে ছবি/ভিডিও তার নয়।
মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আনজুমান আরার সই করা ওই চিঠিতে আরো বলা হয়, রাষ্ট্রের একজন কর্মক’র্তা এবং সাধারণ নাগরিক হিসেবে এতে তার (জেবুন্নেসা) ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও পেশাগত জীবনের ম’র্যাদাহানি হচ্ছে। এ কারণে অনতিবিলম্বে বিষয়টি সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে কাজী জেবুন্নেসা বেগম, অ’তিরিক্ত সচিব স’ম্পর্কে অসত্য সংবাদ, ছবি বা ভিডিও ক্লিপ প্রচার করা থেকে বিরত রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
সেই চিঠিতে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান হিসেবে ‘প্রধান তথ্য কর্মক’র্তা’র স্থলে ‘মহাপরিচালক’ উল্লেখ করা হয়েছে। যা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বহীনতার পরিচয় ফুটে উঠেছে বলে গণমাধ্যমকর্মীরা বলছেন।
সচিবালয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে গত সোমবার রাষ্ট্রীয় গো’পন নথি চু’রির চেষ্টার অ’ভিযোগ তুলে আ’ট’কে রাখা হয়েছিল প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনাকে। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের এক কর্মক’র্তার কক্ষে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা আ’ট’কে রাখার পর রাতে তাকে শাহবাগ থা’নায় সোপর্দ করা হয়। অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে তার বি’রুদ্ধে মা’মলাও করে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। ওই মা’মলায় রোজিনা এখন কারাগারে রয়েছেন।
রোজিনা তার বি’রুদ্ধে আনা অ’ভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার সহকর্মীরা পাল্টা অ’ভিযোগ তুলেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দু’র্নীতির খবর ছাপায় তিনি কর্মক’র্তাদের আক্রোশের শিকার হয়েছেন।
এদিকে সচিবালয়ে আ’ট’কে রাখার সময় রোজিনাকে হে’নস্তা করা হয়েছে বলে অ’ভিযোগ উঠেছে। রোজিনাকে আ’ট’কে রাখার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন অ’তিরিক্ত সচিব জেবুন্নেছা। হে’নস্তাকারী হিসেবে তার নাম উল্লেখের পাশাপাশি তাকেও দু’র্নীতিগ্রস্ত হিসেবে সোশাল মিডিয়ায় অনেকে চিহ্নিত করছেন।
এ বিষয়ে দুদক কমিশনার (ত’দন্ত) মো. জহুরুল হক বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেছেন, কাজী জেবুন্নেছার বি’রুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অ’ভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।













































