প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

আক’র্ষণীয় ঠোঁট পেতে ট্রাই ক’রুন সহজ কিছু পদ্ধ’তি!

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

আমাদের সুন্দর হয়ে ওঠার অন্যতম অ’ঙ্গ হল আমাদের ঠোঁট। হাল্কা ফোলা, একটু বড়, লাল ঠোঁট, অনেকটা গোলাপের পাপড়ির মতো। এরকম সুন্দর ঠোঁটই তো আপনি চান। কিন্তু অনেক সময়ে এরকম ঠোঁট না হয়ে পাতলা, খানিক ফ্যাকাশে ঠোঁট আমাদের হয়ে যায়। যাদের এই স’মস্যা তাঁরা কি করবেন! খুব সহজ কিছু জিনিস মেনে চললেই আপনারা কিন্তু আ’ক’র্ষণীয় ঠোঁট পেয়ে যেতে পারেন।

১. প্লাম্পিং বাম ব্যবহার করুন: বাজারে এখন এই ধ’রণের বাম অনেক পাওয়া যায়। এই ধ’রণের প্লাম্পিং বামের চা’হিদার কথা মাথায় রেখে অনেক কসমেটিক কোম্পানি প্লাম্পিং বাম ব্যবহার করে। এই ধ’রণের বাম সহজেই ঠোঁট হাইড্রেটেড করে। ফলে ঠোঁটের ভলিউম বেশ খানিকটা বেশি বলে মনে হয়। এতে ঠোঁট অনেক বেশি ভরাট আর বড় লাগে।

২. ডার্ক লিপস্টিক বাদ দিন: ডার্ক যে কোনও রঙ যেখানেই ব্যবহার করুন না কেন সেই জায়গাটা ব্লক হয়ে আছে মনে হয়। যে কারণে ঘরে হাল্কা রঙ ক’রতে বলা হয়। এতে ঘরে আলো খেলে ভাল। ঘর বেশ বড় বড় মনে হয়। এই একই যুক্তি মেনে ডার্ক লিপস্টিক ব্যবহার ক’রতে বারণ করা হচ্ছে যদি আপনি ঠোঁট একটু বড় আর ফোলা ফোলা দেখাতে চান। একটু হাল্কা রঙের লিপস্টিক বা লিপ জে’ল ব্যবহার ক’রতে পারেন। হাল্কা রঙের মধ্যেও পিঙ্ক রঙের শেড বা ন্যুড কালারের কোনও শেড ব্যবহার ক’রতে পারেন। এতে ঠোঁট বেশ বড় আর ছড়ানো মনে হবে।

৩. কনসিলার ব্যবহার করে দেখু’ন: কনসিলার ঠোঁটে ব্যবহার করার কথা নিশ্চয়ই খুব একটা শোনেননি আপনি। আ’সলে ঠোঁট আ’ক’র্ষণীয় করে তুলতে কনসিলার খুব ভাল কাজ দেয়। ঠোঁটে আপনি লিপস্টিক ব্যবহার করুন বা লিপ গ্লস, ঠোঁট আগে একে নিন এই কনসিলার দিয়ে। এতে ঠোঁট সুন্দর করে ডিফাইনড বা হাইলাইটেড হবে। আপনি একটু বড় করে ঠোঁট একে নিতে পারেন। তার পর ঠোঁট ভরাট ক’রতে পারেন। রঙ করার পর আবার একটু কনসিলার দিয়ে ফাইনাল টাচ দিয়ে দিন। ঠোঁট পারফেক্ট লাগবে।

৪. লিপস্টিকেই বাজিমাত: হাল্কা লিপস্টিক তো ব্যবহার করবেন। কিন্তু সেটাই বা ঠোঁটে কীভাবে লা’গাবেন যাতে একটা মোহময়ী ঠোঁট পেতে পারেন! যে কোনও লিপস্টিকই আগে গোটা ঠোঁটে দিয়ে দেবেন না। ঠোঁটের মাঝখানে একটু ডিপ করে আগে লিপস্টিক দিয়ে দিন। এবার আঙুলে সেই লিপস্টকই অল্প নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ঠোঁটের বাকি অংশে শেডের মতো করে দিন। এতেও দেখবেন ঠোঁট বেশ সুন্দর লাগবে।

৫. হাইলাইট করুন: ঠোঁট হাইলাইট ক’রতে হলে আগে ঠোঁটের চারপাশটা একটু হাল্কা করে শেড করে নিন। কনট্যুর এক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করবে। মেকআপ ব্রাশ নিয়ে কনট্যুর লা’গিয়ে থুৎনিতে হাল্কা শেড করে নিন। অল্প গালের কাছেও ক’রতে হবে। আর আঙুলে অল্প নিয়ে ঠোঁট আর নাকের মাঝে যে সরু অংশ, সেখানে অল্প দিন। এবার দেখু’ন, ঠোঁট খুব সুন্দর হাইলাইটেড হয়ে গেছে।

৬. কিছু ঘরোয়া উপাদান: এবার কিছু ঘরোয়া উপাদানের কথা বলব, যা নিয়ম করে ব্যবহার করলে ঠোঁট নিজে থেকেই কোনও মেকআপ ছাড়াই খুব সুন্দর দে’খতে লাগবে।

মধুঃ মধু নিয়ে ঠোঁটের ওপর একটু মোটা করে দিন। দেখবেন যেন প’ড়ে না যায়। তারপর সেটি সারা রাত রেখে দিন। পরের দিন সকালে উঠে ঠোঁট প’রিষ্কার করে নিন। দেখবেন খুব সুন্দর নরম ঠোঁট পেয়েছেন।

শশাঃ একটা শশা স্লাইস করে কে’টে একটা স্লাইস দুই ঠোঁটের মাঝে ধ’রে থাকুন ৫ মিনিট মতো। শশার ভি’তর থাকা জল ঠোঁট টেনে নেবে। ফলে ঠোঁট হাইড্রেটেড হয়ে যাবে। এতে ঠোঁট ফাটার স’মস্যাও হবে না আর ঠোঁট আস্তে আস্তে সুন্দর হয়ে উঠবে।

নারকেল তেলঃ নারকেল তেল ঠোঁটের জন্য খুবই ভাল। বিশেষ করে এখন থেকে ব্যবহার করলে শীতে আর ঠোঁট ফাটবে না। হাতে অল্প নারকেল তেল নিয়ে অল্প রাব করে ঠোঁটে দিন লিপ বামের মতোই। ১০ মিনিট মতো ঠোঁটে লা’গান। তারপর মুছে ফেলুন। রোজ যদি এটি ক’রতে পারেন, ১৫ দিনের মধ্যেই আপনি পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

ঠোঁট স্ক্রাবারঃ ঠোঁট রোজ প’রিষ্কার করা দরকার। ঠোঁটের ওপর যদি ডেড স্কিন সেল জমা হতে থাকে, তাহলে ঠোঁট কিন্তু ফোলা ফোলা আর সুন্দর লাগবে না। তার জন্য বাড়িতেই বানিয়ে নিন স্ক্রাবার। একটু চিনি আর লেবুর রস হলেই হয়ে যাবে। দুটি উপকরণ মিশিয়ে ঠোঁটে ঘষুন হাল্কা হাতে। তারপর ধুয়ে নিন। খুব ভাল কাজ দেয় এটি। সপ্তাহে তিন দিন ক’রতেই পারেন। এভাবেই কিছু ছোট ছোট নিয়ম মেনে আপনি সহজেই আপনার ঠোঁট গোলাপের পাপড়ির মতোই সুন্দর করে তুলতে পারেন।