শঙ্কা নিয়েই গত ৯ এপ্রিল মাঠে গড়ায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ১৪ তম আসরের খেলা, এরপর টুর্নামেন্টের বয়স যত বেড়েছে তত ঘনীভূত হয়েছে শঙ্কার মেঘ। তবুও আইপিএল চালিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর ছিলো ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, হাজারো সমালোচনা ও আহ্বান উপেক্ষা করে এগিয়ে চলছিলো টুর্নামেন্ট।
তবে বিপত্তির শুরুটা বেশকজন বিদেশি ক্রিকেটারের নাম প্রত্যাহার করে দেশে ফিরে যাওয়া নিয়ে, সেই সময় থেকেই স্থগিত করা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্নের মুখোমুখি হয় বিসিসিআই। তবুও চলছিলো খেলা, তবে আইপিএলের আকাশে আচ্ছন্ন করে রাখা কালো মেঘ সাইক্লোন হয়ে আঘাত হানে টুর্নামেন্টে। একের পর এক ক্রিকেটারের করোনা আক্রান্তের পর আইপিএল স্থগিত করতে অনেকটা বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
অনির্দিষ্টকালের জন্য টুর্নামেন্ট স্থগিত হয়ে গেলেও বাঁকি ম্যাচ গুলো আয়োজনে আশাবাদী ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি। তিনি বলেন, “আমরা সবাই মিলে এই প্রতিযোগিতা শেষ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু একাধিক ক্রিকেটার ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার জন্য অবশেষে আইপিএল মাঝ পথে থামিয়ে দিতে হল।” পরিস্থিতির উন্নতি হলে বাঁকি ম্যাচ গুলো আয়োজনের চেষ্টার বিষয়টি উল্লেখ করে সৌরভ আরও বলেন, “আসলে এটা তো খুব সংক্রামক ব্যাধি, তাই আর ঝুঁকি নেওয়া হল না।
তবে এখনও সময় হাতে আছে, যদি পরিবেশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় তাহলে বছরের কোন না কোন সময় বাকি ৩০ ম্যাচ আয়োজন করার চেষ্টা করব। টুর্নামেন্ট স্থগিত হয়ে যাওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখেই পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, আপাতত তাদের ক্ষতি অন্তত দুই থেকে আড়াই হাজার কোটি রুপি। তবে টুর্নামেন্টের বাঁকি অংশ যদি আবারও আয়োজন করতে পারে, তাহলে সেই ক্ষতিটা অনেকাংশেই পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে বিসিসিআই।













































