প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

অদম্য নারী হাফেজদের গল্প!

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

প্রথম হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় জাতীয় পুরস্কার পাই সেই শৈশবে, ১০ বছর বয়সে। বাংলাদেশ শি’শু একাডেমি থেকে; আরেকটি ইস’লামিক ফাউন্ডেশন থেকে। সেটি ১৯৮৬ সালের কথা। তারপর ১৯৯০ সালে যেতে চাই আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায়। কিন্তু বয়স স্বল্পতার কারণে তার অনুমতি মেলেনি।’

কথাগুলো বলছিলেন হাফেজা কারিয়া শামসুন্নাহার সিদ্দিকা। অনুমতি পাননি বলে থেমে যাননি। তার বাবা মা’ওলানা শরাফত উল্লাহ খুব করে চাইতেন, মে’য়ে তার আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করুক। বিয়ের পর তাকে আরেকটু এগিয়ে দিলেন তার স্বামী ডাক্তার মুহাম্ম’দ আমিরুল ইস’লাম। প্রিয়তম স্বামীর উৎসাহে শামসুন্নাহারের স্বপ্নের ঘোড়া তখন আরও তেজস্বী হয়ে ওঠে। দেশের সীমানা পেরিয়ে তিনি তখন ডানা মেলেন বিদেশের মাটিতে।

মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায় ৭ বার তিনি চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। ২০০৪ সাল থেকে টানা ২০০৯ সাল পর্যন্ত। সর্বশেষ ২০১৬ সালে। এর আগে ১৯৯৮ সালে হয়েছিলেন দ্বিতীয়। ই’রানেও গিয়েছেন একবার। শামসুন্নাহারের চার মে’য়ে। জানতে চাইলাম, সন্তান সামলে কী’ভাবে এসব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন?

তিনি বললেন, ‘আমা’র বাবার স্বপ্ন ছিল আমি আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করব। বিয়ের পর কেউ স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াননি। আমা’র শাশুড়ি, আমা’র বোন অনেক সময় আমা’র সন্তান সামলিয়েছেন। তবে যারা প্রতিযোগী থাকত বাংলাদেশের, তারা আমাকে আ’ট’কানোর চেষ্টা করেছে বহুবার!