প্রতিটা মানুষ ই চায় ফ্রেশ ত্বক। সময় মত ত্বকের যত্ন না নিলে আপনার ত্বকে নানা ধরন জটিলতা দেখা দিতে পারে।
ত্বকের যত্নে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার চেয়ে শিট মাস্ক ব্যবহার অনেকের কাছেই সহজসাধ্য। তবে ত্বকের দৈনন্দিন যত্নের বদলে নয়, বরং বাড়তি যত্নের অংশ হিসেবে শিট মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে । তবে ত্বক বুঝে শিট মাস্ক বেছে নিতে হবে।
প্রয়োজন বুঝুন, জানুন
শুষ্ক ত্বকের জন্য এমন মাস্ক ব্যবহার করুন, যাতে রয়েছে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড, গ্লিসারিন, সেরামাইডস বা পেপটাইডস।
সংবেদনশীল ত্বকের জন্য ক্যামোমাইল, রেসভেরাট্রল, পলিফেনল, নায়াসিনামাইড বা সরবিটল–সমৃদ্ধ শিট মাস্ক বেছে নিন। এগুলো ব্যবহারের আগে ফ্রিজে রেখে দিলে ত্বকের উপকার হবে বেশি।
তেলতেলে হয়ে আছে বা ত্বকের লোমকূপ বেশি দেখা যাচ্ছে, এমন ক্ষেত্রে এক্সফলিয়েটিং মাস্ক ব্যবহার করুন (স্যালিসাইলিক অ্যাসিড, আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড, বেনটনাইট ক্লে, চারকোল, জিংক বা সেজসহ)।
নিষ্প্রাণ, মলিন, ক্লান্তির ছাপ পড়ে যাওয়া ত্বকের কাজে আসবে ভিটামিন সি কিংবা নায়াসিনামাইডযুক্ত শিট মাস্ক। কিংবা অ্যালোভেরা, ক্যামেলিয়া, অর্কিডের নির্যাসসমৃদ্ধ মাস্ক বেছে নিন।
ত্বকের বিভিন্ন অংশে রঙের পার্থক্য থাকলে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড, মুক্তার নির্যাস ও গ্লিসারিনসমৃদ্ধ মাস্ক বেছে নিন।
কোমল ত্বকের জন্য গোলাপের নির্যাসসমৃদ্ধ মাস্ক ভালো।
উজ্জ্বল ও সুস্থ ত্বকের জন্য হাইড্রেটিং সিরাম আর গ্লুটাথিওন–সমৃদ্ধ মাস্ক ভালো।
ব্যবহারের নিয়ম
ক্লিনজারের সাহায্যে ৫-১০ মিনিট মুখের ত্বক পরিষ্কার করে নিন, স্ক্রাব করুন ২-৫ মিনিট, এরপর ম্যাসাজ ক্রিম ব্যবহার করুন ৫ মিনিট। সবশেষে মুখ ধুয়ে ও ভালোভাবে মুছে নিয়ে শিট মাস্ক ব্যবহার করুন।
শিট মাস্ক ১০-২০ মিনিটের বেশি মুখে রাখা ঠিক নয়, ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়তে পারে। এই সময়টুকু শুয়ে আরাম করুন, দুশ্চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন, ভালো চিন্তা করুন, মন ভালো করে দেওয়া অডিও ক্লিপ শুনতে পারেন।
শিট মাস্ক ব্যবহারের পর ত্বকে ময়েশ্চারাইজার দিতে ভুলবেন না। আলাদা দুটি মাস্ক ব্যবহার করতে চাইলে পরপর ব্যবহার করতে পারেন। তবে সবশেষে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে।
৫০০০+ মজদার রেসিপির জন্য Google Play store থেকে Install করুন “Bangla Recipes” মোবাইল app…. 🙂.মোবাইল app Download Link >>> https://bit.ly/2YsK4MO
বাংলা হেলথ কেয়ার /এসপি
