হাত রাঙাতে আমরা সবাই মেহেদি লাগাই। কেউ কেউ আবার পাকা চুল লাল করে বয়স লুকাতেও ব্যবহার করি মেহেদি। মেহেদির প্যাকে চুলের গোড়া মজবুত করা ক্ষমতা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মেহেদির পাতা দেখতে সবুজ বাটলে লাল রং হয়। ইহা প্রকৃতির এক অনবদ্য দান। মেহেদী গাছে রয়েছে এন্টি ফাঙাল, এন্টি মাইক্রোবিয়াল, এন্টিব্যাকটেরিয়াল, এন্টিইনফ্লেমেটরী, কুলিং, হিলিং ও সিডেটিভসহ অনেক গুণ। এ পাতা সারা শরীরে ব্যথা ও জ্বালা দূর করতে সহায়তা করে।
তাহলে দেরি কেন? আসুন জেনে নিই মেহেদি পাতায় আর কী কী রোগ সারানোর গুণ রয়েছে :
১.তাজা মেহেদি পাতা ভিনেগারে ভিজিয়ে এক জোড়া মোজার ভিতরে রেখে দিন। এবার এই মোজাটি পায়ে সারা রাত পরে থাকুন। এটি পায়েরলাপোড়া কমিয়ে দেবে অনেকখানি। এছাড়া মেহেদি পাতা বিছানায় ছড়িয়ে রাতে ঘুমালে সকালে উঠে শরীর হালকা লাগে ও জ্বালা কমে যায়।
২.মেহেদি গাছের ফুল পেস্ট করে এর সঙ্গে ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এটি কপালে অথবা ব্যথার স্থানে লাগিয়ে রাখুন। এছাড়া আপনি মেহেদির পেস্টও সরাসরি ব্যবহার করতে পারেন।
৩.মেহেদি দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন মাউতওয়াশ। মেহেদি পাতা গুঁড়ো পানিতে গুলিয়ে নিন। এবার এটি দিয়ে কুলকুচি করুন। এটি মুখের ঘা দ্রুত ভাল করে থাকে এবং মুখ জীবাণুমুক্ত করে তোলে।
৪.সরিষার তেলের সঙ্গে কয়েকটি মেহেদি পাতা দিয়ে জ্বাল দিন। এটি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে মাথার তালুতে ব্যবহার করুন। এটি টাক পড়া প্রতিরোধ করবে।
৫.খুশকি চুলের সবচেয়ে বড় শত্রু। সরিষা তেল, মেথি, মেহেদি পাতা সিদ্ধ করে একসঙ্গে যোগ করে এটি চুলে ব্যবহার করুন। একঘণ্টার পর শ্যাম্পু করে নিন। এটি খুশকি দূর করে চুলকে করে তুলবে ঝলমলে সুন্দর।
৬.বাত এবং বাতজনিত সবরকম ব্যথা দূর করতে মেহেদি তেল বেশ কার্যকর। ব্যথার স্থানে মেহেদি তেল ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। ভাল ফল পেতে এটি প্রতিদিন এক থেকে দুই মাস করুন।
৭.মেহেদির পেস্ট পিঠ, ঘাড় এবং ঘামাচি আক্রান্ত অন্যান্য স্থানে লাগান। এটি ঘামচির চুলকানি এবং জ্বালা পোড়া হ্রাস করতে সাহায্য করবে।
৫০০০+ মজদার রেসিপির জন্য Google Play store থেকে Install করুন “Bangla Recipes” মোবাইল app…. 🙂.মোবাইল app Download Link >>> https://bit.ly/2YsK4MO
Loading…
বাংলা হেলথ কেয়ার /এসপি
