প্রচ্ছদ ভিন্ন স্বাদের খবর

সন্তান কোলে নিয়ে ভিক্ষা করেই প্রতি মাসে ইনকাম প্রায় ১৯ লক্ষ টাকা এই যুবতীর

3
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

সন্তান কোলে নিয়ে ভিক্ষা করেই প্রতি মাসে ইনকাম প্রায় ১৯ লক্ষ টাকা এই যুবতীর – প্রায় মধ্য যুগ থেকেই সমাজে ধনি দরিদ্রের আবির্ভাব। যাদের অর্থের অভাব নেই,

তারা হলেন ধনি আর যাদের দিন কাটে অভাব অনটনে, তারা গরিব। জীবন চলার তাগিতে তারা এই অভাব অনটনের কাছে হার মেনে অনেক

মানুষ এসে দাঁড়ায় পথে, হাত পাতে অন্য মানুষের কাছে। আম’দের চারপাশে প্রায় সব জায়গাতেই এমন মানুষদের আমর’া দেখতে পাই যারা

ভিক্ষা করে দিন কা’টায়। কিন্তু সব ক্ষেত্রেই যে ওপরের ঘটনাটা পুরোপুরি সত্য সেইরকমও কিন্তু নয়। কেউ কেউ এটাকে ব্যাব’সা বানিয়ে মিথ্যে

অ’ভিনয় করে টাকা রোজগার করে, অনেক ক্ষেত্রে এসব ব্যাপারে সত্যের থেকে মিথ্যেটাই বেশি জড়িয়ে থাকে। এক্ষেত্রে যে যুক্তিটি সবার আগে

দেওয়া যায় সেটা হল যে যাদের সত্যি এতো সমস্যা তারা বেঁচে থাকতে কেন ভিক্ষা করছে ! কাজ করে কেন পেটের ভাত জোটাচ্ছে না। আর

কিছু ক্ষেত্রে এসমস্ত ভিখারিদের সাথে যুক্ত থাকে অনেক আন্ডারওয়ার্ল্ডের ব্যাব’সায়িরা। সুতরাং কিছু ক্ষেত্রে ভিক্ষাটা একটা ব্যাব’সা হয়ে উঠেছে।

কিন্তু আজকে যে ঘটনাটি নিয়ে আমর’া আলোচনা করবো সেটা হল এক মহিলার কথা। আরবে ঘুরতে এসে কোন কারনে তিনি এই পেশায় যুক্ত

হয়ে যান। ভিক্ষা করেই মাসে এক লাখ দিরহা’ম রোজগার করেন এই মহিলা, যা ভারতীয় মুদ্রায় এসে দাঁড়ায় প্রায় ১৯ লাখ টাকা। সংযুক্ত আরব

আমিরশাহীতে ঘটেছে এই ঘটনাটি, যথারীতি পু’লিশ গেরেফতারও করেছে সেই মহিলা কে। ব্রি আব্দুল হা’মিদ আব্দুল্লাহ আল হাসিমি হলেন দুবাই

পু’লিশের কর্মকর্তা, তিনি জানান যে ‘আরব আমিরশাহীর বাসিন্দা নন ওই ভিক্ষুক। তিনি ভ্রমন ভিসায় কোন পর্যটন কোম্পানির মাধ্যমে ভিক্ষা

বৃত্তিতে এসে যুক্ত হন দুবাইতে এসে। গত মাসে তিনি ভিক্ষা করে এক লাখ দিরহা’ম আয় করেছেন।’ তিনি এও জানান যে ‘এখানে এসে টুরিস্ট

হয়ে ভিক্ষা করছে এরম ব্যাক্তি ধ’রা পড়লে তার দুই হাজার দিরহা’ম জরিমানা করা হবে। যে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসেছে তারও জরিমান হবে।

এই প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি হলে কালো তালিকা ভুক্ত করা হবে উক্ত প্রতিষ্ঠান টিকে। দুবাইয়ের সংবাদ মাধ্যমখালিজ টাইমস জানায়, ২০১৮ সালে দুবাই থেকে প্রায় ২৪৩ জনকে গ্রে’ফতার করেছিল দুবাই পু’লিশ। আগের বছরগু’লির তুলনায় সেটা ২০১৮ অনেকটাই কমেছে বলে জানিয়ে দুবাই কর্তৃপক্ষ। রমজান মাসে ভিখারির সংখ্যা বেড়ে যায় দুবাইতে। তাই এই মাসে প্রতিবার দেশটির পু’লিশেরা ততপর থাকে এই অনিয়ম সামাল দিতে।