
পরিবার হচ্ছে একটি শি’শুর সবচেয়ে বড় শেখার জায়গা। ছোট থেকেই একটি শি’শু তার মা-বাবাকে সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করে। মা-বাবা যা করেন, সন্তানরাও তাই শেখে। এছাড়া মা-বাবা ছাড়াও পরিবারের অন্যান্য বড়দের আচরণের ছাপও ছোটদের মধ্যে প’ড়ে।
তাই পরিবারের বড় সদস্যদের একটি বিষয় খুব খেয়াল রাখতে হবে। আর তা হচ্ছে নিজেদের আচরণ। এমন কিছু কাজ কিংবা আচরণ আছে, যা শি’শুদের সামনে মোটেও করা যাবে না। কারণ এগুলো শি’শুদের উপর খা’রাপ প্র’ভাব ফে’লে। চলুন তবে জে’নে নেয়া যাক এই স’ম্পর্কে বি’স্তারিত-
ভদ্রতা বজায় রাখা-শি’শুরা আশপাশে থাকলে স্বামী-স্ত্রীর ভদ্রতা বজায় রাখতে হবে। তাদের সামনে এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যা তাদের ওপর খা’রাপ প্র’ভাব ফেলতে পারে। সবসময় শৃ’ঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ভালো আচরণ ক’রতে হবে।
চিৎকার না করা-রেগে গেলে বা খুব বির’ক্তের সময় আম’রা চিৎকার চেচামেচি করি। যেটির প্র’ভাব শি’শুদের ওপর প’ড়ে। এমন প’রিস্থিতি আ’সলে মেজাজ নি’য়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আর যদি শি’শুদের সামনে এমনটি করা হয়, তাহলে তাদের মনে হবে যে এমনটি করা ঠিক কাজ।
বাজে মন্তব্য না করা-কোনো ব্য’ক্তি স’ম্পর্কে শি’শুদের সামনে বাজে মন্তব্য করা যাবে না। কারও গায়ের রং, রূপ, শ’রীর বা খা’রাপ গুণাবলি নিয়ে মন্তব্য করা যাবে না। এটি করলে তারাও এই অভ্যাস পেয়ে বসবে।
ফোন ও টিভির ব্যবহার কম করা-শি’শুরা যদি সবসময় মা-বাবাকে টিভি বা ফোনে ব্যস্ত থাকতে দেখে, তাহলে সেও তাদের মতোই একইভাবে সময় কাটানো শিখবে। তাই শি’শুদের সময় দিতে হবে বেশি এবং তাদের সামনে টিভি ও ফোনের পেছনে সময় যতটা সম্ভব কম ব্যয় ক’রতে হবে।
কারও স’ঙ্গে খা’রাপ ব্যবহার নয়-মা-বাবা তাদের পরিবারের অন্য কোনো সদস্য, প্রতিবেশী বা ব’ন্ধুর স’ঙ্গে খা’রাপ ব্যবহার করে থাকলে, শি’শুদের ওপর সেটির বাজে প্র’ভাব পড়বে। কারও স’ঙ্গে মতের অমিল হলে বা কাউকে অপছন্দ করলেও শি’শুদের সামনে তাদের প্রতি ক্ষোভ প্র’কাশ করা যাবে না। সেটি করলে শি’শুরাও সেই ব্য’ক্তিকে কোনো সময় অপমান ক’রতে পারে বা খা’রাপ ব্যবহার ক’রতে পারে।
খাবার ন’ষ্ট নয়-জীবনে খাবারের গু’রুত্ব কতটা তা শি’শুদের বোঝাতে হবে, তাদের কাছে খাওয়ার গু’রুত্ব ব্যাখ্যা ক’রতে হবে। তাই তাদের সামনে কখনো খাবার অপচয় করা যাবে না। তাদের এটা বোঝাতে হবে যে খাবার ন’ষ্ট করা খুব খা’রাপ অভ্যাস।
সূত্র: বোল্ডস্কাই।






