প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

যত্রতত্র যেন মাদ্রাসা না হয়, সেই বিষয়ে শীঘ্রই নীতিমালাঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

1
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, কোনো একটা পাড়া বা গ্রাম নেই যেখানে মাদ্রাসা নেই। যত্রতত্র যেন মাদ্রাসা না হয়, যে কেউ যেন আর মাদ্রাসা না করতে পারে, সেই বিষয়ে আম’রা চিন্তাভাবনা করছি। শীঘ্রই আম’রা একটা নীতিমালা তৈরি করতে চাচ্ছি। আম’রা এই বিষয়ে সভাও করছি।

বৃহস্পতিবার (২০ মে) বিকেলে একাত্তরের ঘা’তক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত ‘জামায়াত-হেফাজতের সন্ত্রাসের রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ: সরকার ও নাগরিক সমাজের করণীয়’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক ওয়েবিনারের তিনি এ কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স’ন্ত্রাসীদের আধিক্য এতটাই বেশি ছিলো, সারা’বিশ্ব সেদিন তাদের তা’ণ্ডব এবং বর্বরতা দেখেছে। হাইওয়ে পু’লিশ ফাঁড়িতে যথেষ্ট পরিমান পু’লিশ সদস্য থাকা সত্ত্বেও, সেদিন পু’লিশকে পিছু হটতে হয়েছিল। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্কুল-কলেজের চেয়ে মাদ্রাসার সংখ্যা বেশি। সেখানে এক বিল্ডিংয়েই তিন-চারটা মাদ্রাসা রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসার সংখ্যা ৭০০ থেকেও বেশি। সেখানে কেন এতো মাদ্রাসার আধিক্য সেটা আমি জানি না।

তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সন্ত্রাসের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলো, ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের বেশির ভাগকেই আম’রা ধরে ফেলেছি। এখানকার এক-দু’জন মাদ্রাসার শিক্ষক তাদের ছাত্রদের জ’ঙ্গি প্রশিক্ষণ দিতো, এটাও আম’রা শুনেছি। তাদেরও ধ’রার জন্য আম’রা সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় রয়েছি। তারাও ধ’রা পড়বে। ভবিষ্যতে আর যেন এমন র’ক্তপাত না হয়, সেই কারণে আম’রা কাউকে ছাড়ও দেইনি এবং মা’মলা থেকে বাদও দেওয়া হয়নি।

হেফাজতে ইস’লামের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হেফাজতে ইস’লাম কোনো রাজনৈতিক দল নয়। তারপরেও তারা রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করছে, হরতাল দিচ্ছে। যেহেতু তারা রাজনৈতিক দল নয় তাই তারা এগুলো করতে পারে না, এসব বেআইনি। এসব স’ন্ত্রাসী কর্মকা’ণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন তাদের প্রায় সবার নামে মা’মলা হয়েছে, অনেকে গ্রে’প্তারও হয়েছে।

তিনি বলেন, একটি জিনিস আমি আপনাদের জানাতে চাই, আম’রা যখন জামাত-শি’বির, স’ন্ত্রাসী জ’ঙ্গিগোষ্ঠীকে কোণঠাসা করেছি। আমা’র মনে হয়, তারা আবারো হেফাজতের সাইনবোর্ডে সামনে চলে আসছে। জামাত-শি’বির জ’ঙ্গিগোষ্ঠী বর্তমানে হেফাজতের সাইনবোর্ড ব্যবহার করছে। আম’রা যেখানেই যাচ্ছি এমন প্রমাণ পাচ্ছি। হেফাজতের নেতৃত্ব তারা নিয়ে নিয়েছে এমনটাই আমা’র মনে হচ্ছে। হাটহাজারীতে যারা নেতৃত্ব এবং পরাম’র্শ দিচ্ছেন, অনেকটাই আগের জ’ঙ্গী সংগঠনের নেতা কিংবা এই ধরনের সন্ত্রাসের সঙ্গে পূর্বেও জড়িত ছিলো। আম’রা কাউকেই ছাড় দিচ্ছি না।