
বর্তমান সময়ের সেরা দুই ব্যাটসম্যান ধরা হয় ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি এবং পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজমকে। তবে বর্তমান সময়ে এই দুজনের মধ্যে সেরা কে এ নিয়ে ক্রিকেট মহলে চলে নানা তর্ক-বিতর্ক।
![]()
ক্রিকেটাররা এসব গায়ে না মাখলেও বাবর বলছেন, তার সঙ্গে বিরাট কোহলিকে তুলনা দেয়ায় তিনি গর্বিত। সম্প্রতি অধিনায়ক ব্যাটসম্যান কিংবা অধিনায়ক দুই ক্ষেত্রেই সময়টা ভালো কাটছে বাবরের। কিছুদিন আগেই বিরাট কোহলিকে ছাপিয়ে ওয়ানডেতে ব্যাটসম্যানদের ব়্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছেন। আর এতেই কোহলির-বাবরের মধ্যে কে সেরা তা নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা। যদিও বাবর নিজেই চাননা তার সঙ্গে কোহলির তুলনা হোক।
![]()
কেননা বাবরের বিশ্বাস দুজনের খেলার ধরণেই আছে ভিন্নতা। সাধারণত এতে করে বাবরের পারফরম্যান্সে প্রভাব পড়তে পারে। কিন্তু বাবর নিজেও এই চাপ অনুভব করছেন না বরং গর্ব বোধ করছেন। ‘খালিজ টাইমকে’ দেয়া এক সাক্ষাতকারে বাবর বলেন, ‘বিরাট কোহলি বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। তিনি সর্বত্র এবং বড় ম্যাচে পারফর্ম করেন। লোকেরা যখন আমার সঙ্গে তার তুলনা করে, আমি চাপ অনুভব করি না
![]()
বরং আমি গর্বিত বোধ করি কারণ তারা আমাকে এত বড় খেলোয়াড়ের সাথে তুলনা করে।’ তিনি আরো বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে, আমি মনে করি না যে কোনও তুলনা হওয়া উচিত নয়, তবুও লোকেরা তা করে এবং আমি আনন্দিত বোধ করি। সুতরাং আমার লক্ষ্য হলো সে যেভাবে পারফর্ম করে তার মতো করে পারফর্ম করা। আমার দলকে ম্যাচ জিতে সহায়তা করা।’ তিনি আরো যোগ করে বলেন, ‘দলকে জেতানোর সঙ্গে পাকিস্তানকে গর্বিত করা।
![]()
দেখুন, আমরা দুজনই ভিন্ন খেলোয়াড়। আমার খেলার ধরণে যেমনি ভিন্নতা আছে তার খেলার ধরণেও ভিন্নতা আছে। তাই আমি সবসময় আমার সামর্থ্য অনুযায়ী নিজের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করি।’ অনেক গ্রেট ক্রিকেটারদের সঙ্গেই এখন উচ্চারিত হয় বাবরের নাম। এর পিছনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩টি সেঞ্চুরি তার ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট ছিল বলে মনে করেন তিনি। তবে নিজে এখন তারকা ক্রিকেটার হলেও মানসিকতায় বদল আসেনি এই ২৬ বছর বয়সী ব্যাটসম্যানের।
![]()
সবশেষে বাবর বলেন, ‘ক্রিকেটে আমি যে শ্রদ্ধা অর্জন করেছি তার জন্য আল্লাহর কাছে ধন্যবাদ। এটা বড় গর্বের বিষয় যে এখন আমার নামটিও বড় খেলোয়াড়দের পাশাপাশি উচ্চারিত হয়। যেমনটা আমি বলেছি, সেই তিনটি সেঞ্চুরি করা (ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে) আমার জন্য টার্নিং পয়েন্ট ছিল।’ তিনি আরো যোগ করে বলেন, ‘এর পরে আমার আত্মবিশ্বাসের মাত্রা অনেক বেশি বেড়ে গিয়েছে। তবে আমার মানসিকতা আগের মতোই রয়ে গেছে।
![]()
আমি প্রতিটি ম্যাচ খেলি যেন এটি আমার শেষ ম্যাচ। আমি দুর্দান্ত খেলোয়াড়দের সাথে কথা বলে অনেক কিছু শিখেছি। কেউ নিখুঁত হতে পারে না এবং আপনি প্রতিদিন শিখছেন।






