
চারজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে দলে ফিরিয়েছেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের নির্বাচকরা। একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা আজম খান। অভিজ্ঞদের মধ্যে ওয়ানডে দলে পুনরায় ডাক পেয়েছেন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হারিস সোহেল।
![]()
আর টি-টোয়েন্টির জন্য দলে ফিরেছেন ইমাদ ওয়াসিম। টেস্ট দলের জন্য পুনরায় বিবেচিত হয়েছেন মোহাম্মদ আব্বাস এবং নাসিম শাহ। আর আজম খান টি-টোয়েন্টি দলের নতুন মুখ। তিন ফরম্যাটের সিরিজ খেলতে যুক্তরাজ্য ও ক্যারিবীয় সফরে যাচ্ছে পাকিস্তান। প্রায় দুই মাসের এই সফরে দল দুটির বিপক্ষে ৩টি ওয়ানডে, ৮টি টি-টোয়েন্টি এবং ২টি টেস্ট খেলবে তারা। এই দুই সিরিজকে সামনে রেখে তিন ফরম্যাটের জন্য আলাদা আলাদা দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ।
![]()
যদিও স্পিনার ইয়াসির শাহর দলে অন্তভূক্ত তার ফিটনেসের ওপর নির্ভর করছে। সর্বশেষ সিরিজে পাওয়া কঁনুইয়ের ইনজুরি থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠেননি তিনি। তবে উইন্ডিজদের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে ফিটনেস টেস্টে উতরাতে পারলে জায়গা মিলবে তারও। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের দলে থাকা লেগ স্পিনার জাহিদ মাহমুদ ও বাঁহাতি স্পিনার নুমান আলি এবং অফ স্পিনার সাজিদ খান যথারীতি নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছেন।
![]()
নির্বাচকরা এই তিনজকে জ্যামাইকা টেস্টের জন্য দলে রেখেছেন। অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা সাউদ সাকিল অবশ্য ওয়ানডের জন্য দলে জায়গা ধরে রেখেছেন। টেস্ট দলে জায়গা হারানো সালমান আলিকেও ওয়ানডের দলে রেখেছেন পাকিস্তানী নির্বাচকরা। এ ছাড়া উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ফখর জামান জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলে অতিরিক্ত ক্রিকেটার হিসেবে থাকলেও এই দুই সিরিজের টি-টোয়েন্টির জন্য মূল দলে ডাক পেয়েছেন।
![]()
তিন ফরম্যাটের জন্য পাকিস্তান দল:
ওয়ানডে : বাবর আজম (অধিনায়ক), শাদাব খান (সহ-অধিনায়ক), আব্দুল্লাহ শফিক, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, হায়দার আলী, হারিস রউফ, হারিস সোহাইল, হাসান আলী, ইমাম উল হক, মোহাম্মদ হাসনাইন, মোহাম্মদ নাওয়াজ, মোহাম্মদ রিজওয়ান, সালমান আলী আঘা, সরফরাজ আহমেদ, সাউদ শাকিল, শাহীন শাহ আফ্রিদি ও উসমান কাদির।
![]()
টি-টোয়েন্টি : বাবর আজম (অধিনায়ক), শাদাব খান, আরশাদ ইকবাল, আজম খান, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, হায়দার আলী, হারিস রউফ, হাসান আলী, ইমাদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ হাফিজ, মোহাম্মদ হাসনাইন, মোহাম্মদ নাওয়াজ, মোহাম্মদ রিজওয়ান, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, সরফরাজ আহমেদ, শাহীন শাহ আফ্রিদি, শার্জিল খান ও উসমান কাদির।
![]()
টেস্ট : বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ রিজওয়ান, আব্দুল্লাহ শফিক, আবিদ আলী, আজহার আলী, ফাহিম আশরাফ, ফাওয়াদ আলম, হারিস রউফ, হাসান আলী, ইমরান বাট, মোহাম্মদ আব্বাস, মোহাম্মদ নাওয়াজ, নাসিম শাহ, নোমান আলী, সাজিদ খান, সরফরাজ আহমেদ, সাউদ শাকিল, শাহীন শাহ আফ্রিদি, শাহনাওয়ার দাহানি, ইয়াসির শাহ ও জাহিদ মাহমুদ।






