
নড়াইলের কালিয়ায় বৃদ্ধ ছালেহা বেগমকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় স্বী’কা’রাে’ক্তি’মূ’ল’ক জবানবন্দি দিয়েছেন দুই আসামি।আদালতে বৃ’দ্ধা’র নাতি রাশেদ ও না’ত’জামাই মিরাজ বলেন,প্র’তিপক্ষকে ফাঁসাতে পুত্র ইরুপ খন্দকার
নিজেই পেট্রোল ঢেলে তার মা ছা’লেহা বেগমকে পুড়িয়ে হত্যা করেছেন।হত্যার সময় রাশেদ ও মিরাজ সহযােগিতা ক’রেন’।শনিবার বিকেলে ন’ড়া’ই’লের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মােরশেদুল আলমের আদালতে ১৬৪ ধারায় তারা
স্বীকারােক্তিমূলক জবানবন্দি দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালিয়া থা’না’র ওসি আমানুল্লাহ জা’না’ন,আদা’লতে রাশেদ ও মিরাজ জবান’বন্দিতে ব’লেন,গ্রামের প্রতিপক্ষ মােল্লা গ্রুপের লাে’ক’জ’নকে ফাঁসাতে ছালেহা বেগমকে
পুড়িয়ে হত্যার প’রি’ক’ল্প’না করেন বৃদ্ধার ছেলে ইরুপ খন্দকার।সে অ’নু’যায়ী ২১ মে রাত ১ টার দিকে।বৃদ্ধার শরীরে পে’ট্রোল ঢেলে দেন ছেলে ইরুপ খন্দকার।রাশেদ লা’ই’টা’র দিয়ে আ’গুন ধরিয়ে দেন।আগুনে পুড়ে মৃত্যু
হওয়ার পর রাত ৩ টার দিকে তারা চিৎ’কা’র ক’রলে আশপাশের লোক’জন আসেন।মিরাজ তাদের সহযােগিতা করেন।রােববার আ’দা’ল’ত তাদের কারাগারে পাঠানাের আদেশ দেয়।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালিয়া থানার ওসি (তদন্ত)আমানুল্লাহ আল বারী জা’নান,রাশেদ ও মিরাজ
জ’বা’ন’বন্দি’তে বলেন,গ্রামের প্রতিপক্ষ মােল্লা গ্রুপের লােকজনকে ফাঁ’সা’তে ছালেহা বেগমকে পু’ড়িয়ে হত্যার প’রি’ক’ল্প’না করেন বৃ’দ্ধা’র ছেলে ইরুপ খন্দকার।সে অনুযায়ী ২১ মে রাত ১ টার দিকে।বৃদ্ধার শরীরে পেট্রোল
ঢেলে দেন ছেলে ইরুপ খন্দকার।রাশেদ লা’ই’টা’র দিয়ে আগুন ধ’রি’য়ে দেন।আ’গু’নে পুড়ে মৃত্যু হ’ওয়ার পর রাত ৩ টার দিকে তারা চিৎকার ক’র’লে আশ’পাশের লােকজন আসেন।মি’রাজ তাদের সহযােগিতা করেন।ওসি
জা’না’ন,গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার ন’ড়া’ই’ল আমলি আদালতের জ্যেষ্ঠ বি’চারিক হাকিম মােরশেদুল আলমের আ’দা’ল’তে ১৬৪ ধারায় হত্যার ঘটনায় জবানবন্দি দেন ছালেহা বেগমের পু’ত্রবধূ নার্গিস বেগম ও কুলসুম বেগম
জ’বা’ন’ব’ন্দি’তে তারা বলেন,কুলসুমের স্বামী আরিফ খন্দকারকে কু’পি’য়ে হত্যা করে প্রতি’পক্ষ।একটি খুনের মামলার পর প্রতিপক্ষকে আরেকটি মামলা দিয়ে শায়েস্তা করতেই এই হত্যাকাণ্ড।ঘ’টনার রাত ১ টার দিকে রাশেদ
মিরাজ,ইরুপসহ অ’জ্ঞা’ত’প’রিচয় দুই তিনজন তাদের শাশুড়ি ছালেহা বেগমকে বি’ছানায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মেরেছেন।রাশেদকে আগুন জ্বা’লা’তে নার্গিস দে’খেছেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন।আগুনে পু’ড়ি’য়ে ৭৫
বছর বয়সী ছালেহা বেগমকে হ’ত্যার ঘটনায় তার মেয়ে মিনি বেগম ২৫ মে প্রতিপক্ষ আকসির মনিরুল মােল্যাসহ ১১ জ’নে’র নাম উ’ল্লে’খ করে অ’জ্ঞা’তপরিচয় ছয়-সা’ত’জ’নকে আসামি করে কালিয়া থানায় হত্যা মামলা
করেন।পুলিশ জা’না’য়,আট মাস আগে স্থানী’য় বাজার থেকে বাড়ি ফে’রা”র পথে ছা’লেহা বেগমের বড় ছেলে আ’রি’ফ খন্দকারকে সন্ত্রা’সীরা কু’পিয়ে হত্যা করে।ওই ঘটনায় আরিফের ভাই ইরুপ খন্দকার প্রতিপক্ষ আকসির
মােল্যাসহ ২৩ জ’নকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন । এই মা’ম’লার আ’সা’মি রাহুল মাে’ল্যা’কে মারধর করলে ২০ মে রাহুলের মা ঝর্ণা বেগম ইরুপ খন্দকারসহ আটজনের নামে মা’ম’লা ক’রেন’ ।এর’পরই ঘটে বৃদ্ধ ছা’লেহা বেগমকে আগুনে পু’ড়িয়ে হত্যার ঘট’না ।
ওসি আমানুল্লাহ জা’না’ন ,চা’ঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের শুরু থে’কে’ই পুলিশ নিহত বৃদ্ধার পরিবারের লােকদের প্রতি সন্দে’হের তির রেখেছিল।প্র’তিপক্ষের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হলে’ও নজরদারিতে ছিল বৃদ্ধার পুত্র ,পুত্রবধূ ,
নাতি,নাতজামাইসহ কয়ে’কজন।শনিবার এ মামলার বাদী ও আ’সা’মিপক্ষ নড়াইল প্রেস ক্লাবে পাল্টাপাল্টি সংবাদ স’ম্মে’ল’ন করে।মা’ম’লার বাদী মিনি বেগম সং’বাদ স’ম্মে’ল’নে দাবি করে’ন ,মামলার দুই সাক্ষী তার দুই
ভাবি’কে পুলিশ থানায় নিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে জবানবন্দি দিতে বাধ্য ক’রে’ছে।প্র’তি’প’ক্ষের মিনা খাতুন সংবাদ সম্মে’লনে দাবি করেন,নিজেরা বৃদ্ধাকে হত্যা ক’রে’ছে কেবল আ’মা’দে’র পরিবারের লােকদের হয়রানি করার
জন্য ।ছা’লেহা হ’ত্যাকাণ্ডের পর থেকে তার ছেলে ইরুপ খন্দ’কার প’লাতক রয়েছেন বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি আ’মা’নু’ল্লাহ।ন’ড়া’ইলে’র পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় ব’লে’ন ,পুঃলি’শের একাধিক সংস্থা
চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মােচনে কাজ করেছে আ’ম’রা দ্রুত মাম’লা’টির সমাধান করতে পারব বলে আশা করছি।হ’ত্যা’কারীদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অ’ভি’যা’ন চলছে।






