
কোভিড টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। টিকাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
সোমবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠক সূত্র জানায়, খুব শিগগিরই শিক্ষার্থীদের বিশেষ প্রক্রিয়ায় টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন নির্ধারিত অনলাইন এবং সশরীরে পরীক্ষা নেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। শিক্ষার্থীদের তথ্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেও দেয়া হয়েছে।
বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ডাক্তার দীপু মনি, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ, মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুইজন সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মক’র্তারা যোগ দেন।
বৈঠকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অ’তিরিক্ত মহাপরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে শিক্ষামন্ত্রীকে জানান, এখন যত টিকা আসবে, সেখান থেকে ফ্রন্টলাইনারদের সঙ্গে শিক্ষার্থীরাও অগ্রাধিকার পাবেন। শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি রয়েছে।
তাই চীন থেকে আসা ৫ লাখ টিকার প্রয়োগ শুরু হলেই প্রথম ধাপে আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের টিকাদান শুরু হবে। এটি চলতি সপ্তাহে হতে পারে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে। তবে কত সংখ্যক শিক্ষার্থী এ ৫ লাখ ডোজ থেকে টিকা নিতে পারবেন সেই সংখ্যা জানা যায়নি।
তবে বৈঠকে উপস্থিত উপাচার্যরা এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। মঙ্গলবার বৈঠকের সিদ্ধান্ত স’ম্পর্কে একটি সংবাদ বি’জ্ঞপ্তি দিয়ে বিস্তারিত জানাবেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।






