
রাজধানীর গুল’শানে ফ্ল্যাট থেকে তরুণী মোসারাত জাহান মুনিয়া’র ম’র’দেহ উদ্ধা’রের পর সোমবার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গুল’শান থা’নায় মা’মলা হয়েছে।
মাম’লায় আ’ত্মহ’ত্যায় প্ররো’চনা দেয়ায় দেশের শী’স্থা’নীয় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থা’পনা পরিচালককে (এমডি) আসা’মি করা হয়েছে।
২১ বছর বয়সী মুনি’য়ার বাড়ি কুমি’ল্লা শহরে। তার পরি’বার সেখানেই থাকে। গুল’শান বিভা’গের অ’তি’রিক্ত উপক’মিশ’নার নাজমু’ল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন,
দেশের একটি শী’র্ষস্থা’নীয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠা’নের ব্যবস্থাপনা পরিচা’লকের সঙ্গে মুনি’য়ার স’ম্পর্ক ছিল। তিনি ফ্ল্যা’টে যাতা’য়াত করতেন বলেও আম’রা জানতে পেরেছি।
মা’মলার এজ’হারে জানা যায়, দুই বছর আগে মা’ম’লার আ’সামি ওই শিল্প’পতির সঙ্গে পরিচয় হয় মো’সারাত জাহান মুনিয়ার। চলতি বছরের মা’র্চ মাসে এক লাখ টাকা ভা’ড়ায় ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেন মুনিয়া। ১ মা’র্চ থেকে ওই শিল্পপতি মাঝে মাঝে ফ্ল্যাটে আসা-যাওয়া করতেন।
এক’জন কলেজ পড়ুয়া মে’য়ে কিভাবে ১ লাখ টাকা ভা’ড়ায় ফ্ল্যাটে থাকেন সে প্রশ্নটি এখন ঘুরছে সামা’জিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এজন্য কেউ তার পরিবারকে দায়ী করছেন,
আবার শিল্প’পতি ব্যবসা’য়ীদের সমা’লোচনা করছেন। ব্যবসায়ী’রা তাদের টাকার দাপটে নিরীহ মে’য়ে’দের বি’পথে নিয়ে সামা’জিক বিশৃ’ঙ্খলা তৈরি করছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ বিষয়ে করা বেশ কিছু মন্তব্য তুলে ধ’রা হলো-
সুচিন্ত জানান, ‘দ্বি’তীয় বর্ষের ছা’ত্রী এক শিল্পপতির আ’য়ত্তে লাখ টাকা দামের ফ্ল্যা’টে থাকতেন,তাও পরিবার ছাড়া। তার মানে পরিবারও জানতো কার সাথে স’ম্পর্কিত ছিল। লাক্সারি লাইফে নয়,অল্প’তে খু’শি হওয়া’তে রয়েছে প্রকৃত সুখ।
‘লো’ভে পাপ,পাপে মৃ’ত্যু’। এই ঘটনা থেকে বর্তমান প্রজ’ন্মের ত’রুণ-তরুণী’দের ও অবি’ভাব’কদের অনেক কিছু শে’খার আছে। এই ঘট’নার সাথে যে বা যারা জ’ড়িত রয়ে’ছেন,তাদের শা’স্তি হো’ক কঠো’র’। ফারুক নামে একজন লিখেছেন, ‘গুল’শা’নে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতে হলে
আপ’নাকে মাসিক নূন্য’তম লা’খের উপরে টাকা উপা’র্জন করতে হবে। কলেজে ২য় বর্ষে পড়ু’য়া শি”ক্ষার্থী নিশ্চয়ই লে’খাপ’ড়ার পাশাপাশি ঐ শিল্পপতির প্র’তি’ষ্ঠানে ভালো চাকরি করতেন।
তার এই সফলতা দেখে স্বা’র্থান্বে’ষী মহ’লের ষড়’য’ন্ত্রের শিকা’র হয়ে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করতে হল। শিল্প’পতি’রা থাকুক সুখে, আ’গুন জ্ব’লুক গ্রাম থেকে ঢাকায় লেখা’পড়া করতে আসা সুন্দরী মে’য়েদের বু’কে!
শিল্পী নামে আ’রেক’জন লি’খেছেন, ‘এ কেমন পরি’বার ! একটা অবিবাহিত মে’য়ে একা এক’টা ফ্ল্যাটে কিভাবে ভাড়া নিয়ে থাকে ! পরিবারের দায়ি’ত্বহী’নতার কারণে আজ মে’য়েটার এই পরি’নীতি’!
আরেকজনের মন্তব্য হচ্ছে, ‘একা থা’কার কারণে মানুষ সবকি’ছু করতে পারে।যার ফলাফল আ’ত্মহ’ত্যা। ২য় বর্ষের একটা মে’ধাবী মে’য়ে এভাবে চলে যাওয়া সত্যি দুঃখ’জনক।
পরি’বারগু’লোর আরো সচেতনতা বাড়ানো উচিত কারণ তাদের অনু’পস্হি’তিতে তার সন্তা’নেরা কেম’ন আছে ,কি করছে সেসব বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া। ঘট’নার সু’ষ্ঠু ত’দন্ত হোক ‘।
শফিক লি’খেছেন, ‘বিয়ে করা বউ সন্তা’নদের পাশা’পাশি ভা’র্সিটির সেরা সুন্দ’রী, উঠ’তি বয়সী মডেল কিংবা প্রতি’ষ্ঠানে কর্ম’রত সুন্দ’রীরা একজন শিল্প’পতির মনোর’ঞ্জনে প্রতি’নি’ধিত্ব করতেই পারে এবং তা স্বাভাবিক।
কিন্তু কুমি’ল্লা থেকে এসে গুল’শানের মতো জায়গা ফ্লাট বাড়ি ভাড়া করে মুক্তি’যো’দ্ধার কলেজ পড়ুয়া সুন্দরী মেয়ের একা থাকা’টা পু’রাই অস্বাভাবিক। শিল্পপতি যদি হ’ত্যাকা’রী হয়, তরুণীর বাবা মা হবে হ’ত্যাকারীর সহযোগী। লো’ভে পাপ, পাপে পল্টি’!
আশরাফের ম’ন্তব্য হচ্ছে, ‘মে’য়েটা একটা লো’ভী – প্রে’মের স’ম্পর্ক তৈরি করে শি’ল্পপ’তির গৃহবধু বা ধনী পরিবারের সদস্য হওয়ার আশায় দীর্ঘদিন স’ম্পর্ক চালিয়ে গিয়েছিলো — কিন্তু সে নিজে ও জানতো বয়স্ক এই লোকের বউ আছে এবং ফ্যামি’লিগত ভাবে ও বিয়ে করা সম্ভব ও না – তারপরে ও শা’রীরীক স’ম্পর্ক করেছে ,
আর্থিক সু’বিধা নিয়েছে , বড় বোন এবং আপন মা ও সব জেনে কিছু ই বলে নি ইন্টা’রপড়ুয়া মে’য়ে কে দিয়ে টাকা পয়সা সম্পদ নেয়ার তা’লে ছিলো—-নয়তো এতো’দিন তারা তাদের বাড়ি ছাড়া মে’য়েকে বাধা দিলো না কেন –অল্প বয়সে পেকে গেলে এমনই হয়’।
শিপলু লিখে’ছেন, ‘এদেশের অনেক বাবা-মা ই তার মে’য়েকে দিয়ে চামড়ার ব্যবসা করাই!(গরু খাসি দুম্বার চামড়া ভাইবেন না আবার)!পরাম’র্শ দেয়;যাও মা; বড় দান মে’রে আসো।ছোটখাটো কোন খ্যাপ মা’রবা না!!!!
গুরুদয়ালের কী’ নীলাখেলা যে এমন দানই মা’রছে যে, সেই দানবীর মোহাসীনের নাম মনেমনে উচ্চারণ করতেও পারবে না!!!! লক্ষ্মী সোনা, আমা’র সাথে প্রে’ম করলে ফ্লাট না পাইলেও অন্ত্যত বিঁচার তো পাইতা।এখন তো আম ছালা আঠি চামড়া সবই গেল!!!!!! আসমানের মালিকের ছাড়া অন্য কোন বিঁচা’রব্যব’স্তার পর আর তেমন আস্তা নেই !!!!’
লিজার মন্তব্য হচ্ছে, হাজার তরুন তরুনী গ্রাম-মফস্বল ছেড়ে শহরে আসে লেখাপড়া করতে। তার মানে এই না যে তারা সবাই অন্যের দাসী/রক্ষিতা হয়ে জীবনযাপন করে।।
কিছু কিছু মে’য়ে পারিবারিক কন্ট্রোল এর বাইরে গিয়ে, সঙ্গ দো’ষে খা’রাপ পথে পা বাড়ায়,লাক্সারিয়াস লাইফ লিড করতে গিয়ে ভুল সি’দ্ধান্ত নেয়।। এর মানে সকল মে’য়েই খা’রাপ নয়। তাহলে আপনার, আমা’র যত বোনেরা লেখাপড়া করতে শহরে এসেছে সবাই খা’রাপ – কিন্তু আপনি জানেন আপনার আমা’র বোন তেমনটা নয়।।
যে ব্যক্তি ক্ষমতা আর টাকার জো’রে একটা মে’য়ে কে লাখ টাকার ভা’ড়া ফ্লাটে রাখতে পারে, না জানি সে এমনভাবে কত মে’য়ের জীবন নিয়ে খেলা করেছে।। আর সেই মে’য়েকেই ৫০ লাখ টাকা চু’রির দায়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেছে।। মে’য়েটার চরিত্র তো খা’রাপ,কিন্তু সেই ক্ষম’তাবান পুরুষটির চরিত্র কেমন!! তাকে কেন আইনের আওতায় আনা হচ্ছেনা? সকল মিডিয়া কেন তার নাম প্রকাশে অনি’চ্ছুক? জবাব চাই, বিচার চাই!!
জাকের বলেছেন, ‘ইস’লামে এই জন্য ই পারি’বারিক গাইডে’ন্সের বেপারে বলেছেন। নিজের কলেজ পড়ুয়া ছে’লে মে’য়ে কি করে কই যায় সেটার সঠিক তদারকি খুব জ’রুরী বাবা মায়ের জন্য। কলেজে পড়ে মে’য়ে কেন ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ফ্ল্যাটে একা থাকতে হবে?
সে এই টাকা পায় কই থেকে? কারা সঙ্গ দিচ্ছে? এই প্রশ্ন গুলো একজন বাবা মায়ের দরকার ছিল করার। ম’রার পরে খুজ করে মা’মলা না দিয়ে আগে থেকে সাবধান হলে এমন কিছু দেখতে হত না পরিবার কে’।
সুলতান লিখেছেন, ‘এটাকে বলে ‘ইকোনমিক সাইন্স অব রি’লেশ’নশীপ’। বসুন্ধ’রা গ্রুপের এমডি একটা ইন্টার পড়ুয়া মে’য়েকে টাকা পয়সার বৃত্তে ফেলে লালসা চরিতার্থ করছে। রক্ষিতা করে রাখছে। আপনি কি মনে করেন মে’য়ের পরিবার জানে না? অবশ্যই জানে। এইচএসসিতে পড়া গ্রামের একটা মে’য়ে ঢাকায় এক লাখ বিশ হাজার টাকা ভাড়া করা বাসায় থাকে।
তাও পরিবার ছাড়া একাই। ইজ ইট পসিবল? টাকার পিছনে মে’য়ে,পরিবার একত্রে ছুটেছে। সম্ভ্রম বিকিয়ে দিয়েছে। সেই মে’য়ের পরিণতি যে এ ধরনের মৃ’ত্যু সেটা স্বাভাবিকভাবেই অনুমেয়।
হয়তো যা দুইদিন পরে ঘটার কথা ছিল তা দুইদিন আগেই ঘটে গেছে। দোষী হলে শু’য়ো’রের বা’চ্চারআ উপযু’ক্ত শা’স্তি চাই। কিন্তু এ ধরনের মে’য়ের জন্য কোনো সমবেদনা নেই। কারণ বাংলাদেশে বসবাস করে এরা ওয়েস্টার্ন কালচারের স্বাদ ভোগ করতে চায়’।






