
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর আবেদনের নথি আইন বিভাগের সচিবের দফতর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আজ রবিবার (৯ মে) সকালে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের মতামত সংবলিত নথিটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের অ’পেক্ষায় রয়েছে খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা যাত্রা। তবে আইন মন্ত্রণালয় বেগম জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে কী’ মতামত দিয়েছেন, তা এখনো জানা যায়নি।
এর আগে বুধবার (৫ এপ্রিল) রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে যান খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইস’লাম ও ভাই ইস্কান্দার মির্জা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানো অনুমতি দিতে আবেদন জানান। আবেদনপত্র পাওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাদেরকে আশ্বা’স দেন ‘আইনি বিষয়গুলো’ যাচাই-বাছাই করে এ ব্যাপারে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই আবেদনটি বৃহস্পতিবার (৬ মে) আইন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছায়। গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার শরীরে করো’নাভাই’রাসের সংক্রমণ ধ’রা পড়ে। তারপর ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে গুলশানের নিজ বাসভবন ফিরোজায় চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি।
চারদিন পর ১৫ এপ্রিল তাকে নেওয়া হয় এভা’রকেয়ার হাসপাতা’লে নেওয়া হয়। সে সময় চিকিৎসকরা জানান, সিটি স্ক্যানের জন্য তাকে হাসপাতা’লে নেওয়া হয়েছে। সেই রাতেই বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় খালেদা জিয়াকে। পরে ২৫ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় নমুনা জমা দেওয়ার পর আবারও করো’না পজিটিভ আসে বিএনপি চেয়ারপারসনের। এরপর ২৭ এপ্রিল নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাকে ফের এভা’রকেয়ার হাসপাতা’লে নেওয়া হয়৷ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ না হওয়ায় তাকে ভর্তিও করা হয় সে রাতে। সেখানে অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়ার চিকিৎসা দেখভাল করছেন। এর মধ্যে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি ও শ্বা’সক’ষ্ট বেড়ে যাওয়ায় গত সোমবার (৩ মে) তাকে এভা’রকেয়ার হাসপাতা’লের করো’নারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়।






