
কি’ডনির সুর’ক্ষার জন্য সব চাইতে গু’রুত্বপূর্ণ হচ্ছে জল। আম’রা অনেকেই পর্যা’প্ত পরিমাণে জল পান করি না। এতে কি’ডনির ও’পর অনেক বেশি পরিমাণে চা’প পড়ে এবং কি’ডনি তার সাধারণ ক’র্মক্ষ’মতা হা’রিয়ে ফে’লে।
অনেকেই সামা’ন্য ব্য’থা পেলেই ব্য’থা’নাশক ঔষধ খেয়ে থাকেন। কিন্তু এটি কি’ডনির জন্য মা’রাত্মক ক্ষ’তিকর একটি কাজ। অ’তিরিক্ত মাত্রায় এই ধ’রণের ব্য’থা’নাশক ঔষধ কি’ডনির কো’ষগুলোর মা’রাত্মক ক্ষ’তি করে।
অনেকের বাড়তি নুন খাওয়ার বাজে অভ্যাস র’য়েছে।কিন্তু এই অ’নিয়মটির কারণে অনেক বেশি ক্ষ’তি হচ্ছে কি’ডনির। কি’ডনি অ’তিরিক্ত সোডিয়াম আমাদের দে’হ থেকে নি’ষ্কাশন ক’রতে পারে না।
ফলে বাড়তি লবনের সো’ডিয়ামটুকু রয়ে যায় কি’ডনিতেই। এতে ক্ষ’তিগ্র’স্থ হয় কি’ডনি। অনেকেই শাকসবজি ও মাছ বাদ দিয়ে শুধু মাংসের উপর নি’র্ভরশীল থাকেন।
এই অ’নিয়মটিও কি’ডনির জন্য মা’রাত্ম’ক ক্ষ’তিকর। কি’ডনির সুর’ক্ষার জন্য মাছ ও শাকসবজি অনেক বেশি জ’রুরী।কি’ডনির জন্য সব চাইতে বেশি ক্ষ’তিকর হল অ্যা’লকোহল।
কি’ডনি আমাদের দে’হ থেকে সঠিক নিয়মে অ্যা’লকোহল নি’স্কাশন ক’রতে পারে না। ফলে এটি কি’ডনির মধ্যে থেকেই কি’ডনির কা’র্যক্ষ’মতা কমিয়ে দিয়ে কি’ডনি ন’ষ্ট করে দেয়।






