প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

কন্যা স’ন্তান হও’য়ায় স্ত্রীর মুখে আ’গুন দিয়ে জী’বন্ত পুঁতে রা’খেন স্বামী!

5
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

বছরখানেক আগে পরিচয়,এরপর বিয়ে।স্ত্রী হাসিনা বেগম সু’মি’কে নিয়ে একটি পাম্প ঘরে থা’ক’তে’ন ৪০ বছর বয়সী আ’ব্দুর রউফ।তবে এটি ছিল তার চ’তু’র্থ বিয়ে। ক’য়ে”ক”দিন আগে একটি কন্যা সন্তান জন্ম দেন সুমি।

তাই অন্য স্ত্রী’দে’র মতো তিনিও স্বামীর বাড়িতে থাকতে চে’য়েছি’লেন তিনি।আর এ চাওয়াই কাল হলো তার।স্ত্রীর মুখে আ”গু’ন দিয়ে জী’ব’ন্ত পুঁতে রা’খেন পাষণ্ড স্বামী পু’লি’শের হাতে আটক হওয়ার পর এভাবেই নিজ স্ত্রীকে

হত্যার ঘ’ট’না বর্ণনা দেন আব্দুর রউফ।শুক্রবার সন্ধ্যায় আব্দুর রউফ আ’দা’ল’তে ১৬৪ ধারা স্বী’কারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।এর আগে বুধবার বি’কেলে দিনাজপুরের বি’রা’মপু’র উপজেলার নয়ানি খসালপুর বাগানের পাশে

গাছ লাগানোর গর্ত খুঁড়তে গিয়ে সুমির লাশ দেখতে পান বন বিভাগের কর্মচারীরা।পরে লা’শটি উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার চ’ড়া’ই ভিটা গ্রা’মে’র সিরাজুল ই’সলামের বাড়ি থেকে

নি”হ’তে’র স্বামী আব্দুর রউফকে আ’ট’ক করে পুলিশ প্রাথমিক জি’জ্ঞাসাবাদে স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি।এরপর তাকে আ’দা’ল:তে পাঠানো হয়।নিহত সুমি নবাবগঞ্জ উ’প’জে’লা:র খটখটিয়া কৃষ্ট চাঁ’দপুর গ্রামের

মজিবর রহমানের মেয়ে।আ’ট’ক আব্দুর রউফ বিরামপুর উপজেলার খানপুর বন্ধন আদর্শ গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।পুলিশ জা’না’য়,স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে বছর তিনেক আগে বি’রামপুর উপজেলার খানপুরে নানাবাড়িতে থাকতে

শুরু করেন সুমি।আর শাল’বনের পাশের মাঠে পাম্প ঘর ভাড়া নিয়ে জ’মি’তে সেচ দেয়ার কাজ ক’রতেন আব্দুর রউফ।সেই সু’বা’দে দেড় বছর আগে খা’ন’পুর বাজারে তাদের পরি’চয় হয়।এর কিছুদিন পর তারা বিয়ে করেন।

সুমি রউফের চতুর্থ স্ত্রী।প্রথম স্ত্রী মারা যান,দ্বি’তীয় স্ত্রীকে তা’লা’ক দিয়ে তৃতীয় স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধন আ’দ’র্শ গ্রা’মে থা’কে’ন।সুমির সঙ্গে বিয়ের পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন ভাড়া বা’সা’য় থাকেন তারা।এমনকি মাঝে মধ্যে রউফের

কর্মস্থল শালবনের পাশে পাম্প ঘরেও রাত কাটাতেন।এরই মধ্যে সু’মি’র গর্ভে স’ন্তান আসে।ঘটনার ১৩ দিন আগে একটি কন্যা সন্তান জন্ম দেন সুমি।বিরামপুর থা’নার ওসি (তদন্ত)মতি’য়ার রহমান ব’লেন,প্রায় দশদিন আগে রাত

১০টার দিকে স’ন্তা’নকে অন্য কারো কাছে রেখে স্বামীর কাছে যান সুমি।সন্তানসহ তাকে নিজ বাড়িতে নেয়ার জন্য রউফকে চাপ দেন।এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।এক’প’র্যা’য়ে সুমির গলা টিপে ধ’রেন রউফ।এরপর

অ’জ্ঞান অবস্থায় পাম্প ঘরের পাশে মুখে আগুন লাগিয়ে দেন।পরে লাশ গুম ক”র’তে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে বনের জমিতে একটি পানি যাওয়া নালায় জীবন্ত অবস্থায় পুঁতে রা’খে’ন।রউফের দেয়া তথ্য’মতে নিজ বাড়ি থেকে

ব্য’বহৃত কোদাল ও মুখে আগুন দেয়ার ছাই উদ্ধার করা হয়।বিরামপুর থা’না’র ওসি সুমন কু’মা’র মহন্ত বলেন, ক’য়ে’ক’দিন ধরে রউফের পাম্প ঘরে সন্তানসহ সুমিকে দে’খ’ছি’লে’ন না স্থানীয় লো’কজন।এছাড়া সুমির লাশ

উদ্ধারের দিনে তৃতীয় স্ত্রীকে নিয়ে শ্ব’শু’র’বা’ড়িতে রেখে আ’সে’ন রউফ।এমনই একটি সূত্র ধরে অনুসন্ধানে নামে পুলিশ।পরে র’উফের বাড়িতে সেই রাতেই পুলিশ অভিযান চালায়।পরদিন স’কা’লে মুঠোফোন ট্র্যাক করে চড়াইভিটা

এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।ওসি বলেন,প্রাথমিক জি’জ্ঞা’সা’বা’দে নি’জের দোষ স্বীকার করেছেন রউফ। কিন্তু স্ত্রী সুমির কোলের সন্তান কাকে দত্তক দিয়েছেন সে বি’ষ’য়ে কিছুই জা’নাননি।বাচ্চাটির অনুসন্ধান অব্যাবহত রে’খে’ছে পুলিশ।